কক্সবাজারের মহেশখালীতে ক্ষতিগ্রস্ত এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের দুটি বয়লারই সচল হয়েছে। এতে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনো কাটেনি গ্যাস সংকট।
মঙ্গলবার সকালেও রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে দেখা গেছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। অপেক্ষার সময় কিছুটা কমলেও চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।
গ্যাসের চাপ আগের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও অনেক স্টেশনে একটি গাড়িতে গ্যাস দিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগছে। ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের।
সিএনজি ও রাইড শেয়ারিং চালকদের অভিযোগ, গ্যাসের সংকটের কারণে পর্যাপ্ত সময় গাড়ি চালাতে পারছেন না তারা। এতে কমে গেছে দৈনিক আয়। দীর্ঘক্ষণ স্টেশনে অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ গ্যাস না পাওয়ায় বাড়ছে ক্ষোভ ও দুর্ভোগ।
অন্যদিকে, স্টেশন মালিকরা বলছেন, সরবরাহ ঘাটতি পুরোপুরি কাটেনি। ফলে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
টার্মিনালের দুটি বয়লার সচল হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হলেও, রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 























