গরু সংরক্ষণ ও এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করতে বড় কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। রাজ্যজুড়ে প্রায় ১০ হাজার ‘গো মিত্র’ বা ‘গরুর বন্ধু’ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই উদ্যোগে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জেন-জি তরুণদের।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু ও ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরু সংরক্ষণকে গ্রামীণ অর্থনীতি, প্রাকৃতিক কৃষি, নারীর ক্ষমতায়ন, সবুজ জ্বালানি ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করে স্বনির্ভরতার একটি মডেল গড়ে তুলতে চায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার।
কর্মসূচির শুরুতে নির্বাচিত মাস্টার ট্রেনারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরে তারা বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে তরুণদের গরুর সেবা এবং এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করবেন। গরু সংরক্ষণে আগে থেকেই আগ্রহী তরুণদের এই কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
উত্তর প্রদেশ গো সেবা আয়োগের চেয়ারম্যান শ্যাম বিহারি গুপ্ত জানান, গোশালাগুলোকে শুধু গবাদিপশুর আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে না রেখে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে গোবর ও গোমূত্রভিত্তিক পণ্য উৎপাদন, প্রাকৃতিক কৃষি এবং বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের মতো উদ্যোগ রয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশে বর্তমানে সাড়ে সাত হাজারের বেশি গোশালা রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে ১২ লাখের বেশি গবাদিপশু। নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে গরু সংরক্ষণের পাশাপাশি এর পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চায় রাজ্য সরকার।

ডেস্ক রিপোর্ট 























