ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করেছে প্রতিবেশী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তেহরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য, বাণিজ্যিক লেনদেন ও আর্থিক কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে আবুধাবি।
আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, চলমান উত্তেজনা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত ইরানের অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার চেয়েও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল মার্ক কিমিট।
আল জাজিরাকে কিমিট বলেন, ইরানের অর্থনীতিতে দুবাই ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানে আমদানি করা পণ্যের সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী আমিরাত। চীন ও তুরস্কও এ ক্ষেত্রে তাদের পেছনে রয়েছে।
কিমিটের ভাষ্য, ইরানের মোট আমদানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে দুবাই ইরানের জন্য নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন চালানোর গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে কাজ করেছে।
তাই আমিরাতের নিষেধাজ্ঞা ইরানের ওপর বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন তিনি। এমনকি তেহরান এ সিদ্ধান্তকে যুদ্ধ ঘোষণার কাছাকাছি কোনো পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচনা করতে পারে বলে মন্তব্য করেন কিমিট।
তার মতে, এখন আমিরাতের পদক্ষেপের পর অন্য উপসাগরীয় দেশগুলো কী অবস্থান নেয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















