ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলে মনে হয় ক্রাইম পেট্রোল দেখছি: মম সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলে মনে হয় ক্রাইম পেট্রোল দেখছি: মম বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে নিখোঁজের পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার ঢাকার পানি সরবরাহ উন্নয়নে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে ডেনমার্ক এবার সমুদ্রে নামছে তুরস্কের প্রথম বিমানবাহী রণতরি ভারতের সঙ্গে সমমর্যাদার সম্পর্ক চায় জামায়াত ইরানি কমান্ডারের খোঁজ দিলেই ১০ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র মুখে না বলেও নীরবে পরিবর্তনের কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী: কাজী জেসিন ভাইয়ের মরদেহ নিতে আফগানিস্তান থেকে এসে ৫০ দিন ধরে ঘুরছেন ইমাল চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনতে খসড়া চুক্তি প্রস্তুত করছে বাংলাদেশ

খুব শিগগিরই ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য হচ্ছে নীতিমালা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার প্রধান সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। কোন সড়কে ও কতটুকু এসব রিকশা চলতে পারবে, যানবাহনের মান ও কারিগরি সক্ষমতা এবং চালকদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকার বড় ও প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল বেড়েছে। এতে মানুষের যাতায়াতে কিছুটা সুবিধা হলেও যানজটসহ নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

বিশেষ করে রিকশাচালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং এসব যানবাহনের কারিগরি নিরাপত্তা ও মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বলে জানান তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, খুব দ্রুতই এসব বিষয়ে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নীতিমালা করা হবে। কোন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে, কোথায় পারবে না এবং যানবাহনের মান ও কারিগরি সক্ষমতা কেমন হতে হবে—সবকিছু নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর কথাও জানান তিনি। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দেওয়ার মাধ্যমে এ পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জাহেদ উর রহমান জানান, চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এ কর্মসূচিতে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।

তিনি বলেন, সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। দরিদ্র মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছালে তারা তা দ্রুত বাজারে ব্যয় করবেন। এতে শুধু উপকারভোগী পরিবার নয়, সামগ্রিক অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তার মতে, ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বাজারে চাহিদা তৈরি করবে। এর ফলে নতুন ব্যবসা, শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ড শুধু দরিদ্র মানুষের হাতে অর্থ তুলে দেওয়ার কর্মসূচি নয়। এর মাধ্যমে একদিকে নিম্নআয়ের মানুষের জীবন ও আর্থিক নিরাপত্তা বাড়বে, অন্যদিকে অর্থনীতিতে চাহিদা ও কর্মসংস্থান তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে।

ধীরে ধীরে দেশের প্রতিটি পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবার দিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও প্রতিবছর এর আওতা আরও বাড়ানো হবে।

এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য খাতের অগ্রগতিও তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর জর্জ ইনস্টিটিউট স্টেডিয়ামে মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৪ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে পদক দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। কৃষির অন্যান্য খাতের মতো মৎস্য খাতও দেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলে মনে হয় ক্রাইম পেট্রোল দেখছি: মম

খুব শিগগিরই ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য হচ্ছে নীতিমালা

আপডেট সময় ০১:৪১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকার প্রধান সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে দ্রুত নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। কোন সড়কে ও কতটুকু এসব রিকশা চলতে পারবে, যানবাহনের মান ও কারিগরি সক্ষমতা এবং চালকদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকার বড় ও প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল বেড়েছে। এতে মানুষের যাতায়াতে কিছুটা সুবিধা হলেও যানজটসহ নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

বিশেষ করে রিকশাচালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং এসব যানবাহনের কারিগরি নিরাপত্তা ও মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বলে জানান তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, খুব দ্রুতই এসব বিষয়ে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নীতিমালা করা হবে। কোন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে, কোথায় পারবে না এবং যানবাহনের মান ও কারিগরি সক্ষমতা কেমন হতে হবে—সবকিছু নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর কথাও জানান তিনি। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দেওয়ার মাধ্যমে এ পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জাহেদ উর রহমান জানান, চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এ কর্মসূচিতে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।

তিনি বলেন, সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। দরিদ্র মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছালে তারা তা দ্রুত বাজারে ব্যয় করবেন। এতে শুধু উপকারভোগী পরিবার নয়, সামগ্রিক অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তার মতে, ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বাজারে চাহিদা তৈরি করবে। এর ফলে নতুন ব্যবসা, শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ড শুধু দরিদ্র মানুষের হাতে অর্থ তুলে দেওয়ার কর্মসূচি নয়। এর মাধ্যমে একদিকে নিম্নআয়ের মানুষের জীবন ও আর্থিক নিরাপত্তা বাড়বে, অন্যদিকে অর্থনীতিতে চাহিদা ও কর্মসংস্থান তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে।

ধীরে ধীরে দেশের প্রতিটি পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবার দিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও প্রতিবছর এর আওতা আরও বাড়ানো হবে।

এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য খাতের অগ্রগতিও তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর জর্জ ইনস্টিটিউট স্টেডিয়ামে মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৪ জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে পদক দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। কৃষির অন্যান্য খাতের মতো মৎস্য খাতও দেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।