ঢাকা , সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা: প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল ইসলামকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম বললেন হিন্দু মন্ত্রী, ক্ষমা চাইতে বললো বিজেপি সালমান এফ রহমানের পক্ষে লড়তে এক বিদেশি আইনজীবীর আবেদন মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রথম বৈঠক হবে তুরস্কে মির্জা ফখরুলের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিজয়ী হওয়ার আশা জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ারের মুসলিম প্রতিবেশীকে ওমরাহ করার সুযোগ করে দিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী খ্রিস্টান যুবক মক্কা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ ভারত ‘বিশ্বগুরু’, ভারতীয়দের দেখলে মানুষ নমস্কার করে: আরএসএস প্রধান সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব জানাজার নামাজ পড়ানোর সময় ইমামের মোটরসাইকেল চুরি

মুসলিম প্রতিবেশীকে ওমরাহ করার সুযোগ করে দিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী খ্রিস্টান যুবক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪০:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

এবার মিসরের এক খ্রিস্টান যুবক তার মুসলিম প্রতিবেশীকে ওমরাহ পালনের সুযোগ করে দিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। মিনা নামের ওই যুবক উম আলী নামের তার এক মুসলিম প্রতিবেশীকে বিনা খরচে ওমরাহ করানোর উদ্দেশ্যে নিজের নামে ওই ইসলামী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। নিজের জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে তিনি ৫০ থেকে ৬০ বার সঠিক উত্তর জমা দেন এবং শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হন। মিনা জানান, উম আলীর পরিবারের সাথে তার সম্পর্ক ২০ বছরেরও বেশি সময়ের এবং তিনি তাকে নিজের বড় বোনের মতোই সম্মান করেন।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়ে মিনা জানান, তিনি ইসলামিক বক্তা ড. আইমান আবু ওমরের একটি লাইভ স্ট্রিম দেখছিলেন। সেখানে তিনি খেয়াল করেন যে, তার প্রতিবেশী উম আলী বা মোনা বিনা খরচে ওমরাহ জেতার আশায় কোরআনের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আগে থেকেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছিলেন। মিনা বলেন, একজন খ্রিস্টান হওয়া সত্ত্বেও তিনি শুধুমাত্র উম আলীর জন্য এই ইসলামী প্রতিযোগিতায় নাম লেখান। তিনি উম আলীকে জানিয়েছিলেন যে তিনিও তার পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন, যাতে উম আলী জিততে না পারলেও তিনি অন্তত তার হয়ে পুরস্কারটি নিশ্চিত করতে পারেন।

ওমরাহ পালন করা উম আলীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। শারীরিকভাবে সুস্থ ও চলাফেরায় সক্ষম থাকতেই তিনি যেন এই পবিত্র তীর্থযাত্রা সম্পন্ন করতে পারেন, সেজন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে আসছিলেন। মিনা যখন তাকে বিজয়ী হওয়ার খবরটি জানান, তখন আনন্দে উম আলীর চোখ দিয়ে পানি চলে আসে। মিনা বলেন, তিনি ভাবতেও পারেননি যে ওমরাহ যাওয়ার সুযোগ পেয়ে কেউ এতটা খুশি হতে পারে।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে উম আলীর পরিবারের সাথে মিনার সম্পর্ক কেবল সাধারণ প্রতিবেশীর গণ্ডি পেরিয়ে এক আত্মিক সম্পর্কে রূপ নিয়েছে। তিনি উম আলীকে নিজের বড় বোন হিসেবে বিবেচনা করেন এবং তার বাবামাকে নিজের পরিবারের মতোই শ্রদ্ধা ও সম্মান করেন। অনন্য এই দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য মিনা এখন ব্যাপক প্রশংসায় ভাসছেন। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা: প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

মুসলিম প্রতিবেশীকে ওমরাহ করার সুযোগ করে দিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী খ্রিস্টান যুবক

আপডেট সময় ১১:৪০:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

এবার মিসরের এক খ্রিস্টান যুবক তার মুসলিম প্রতিবেশীকে ওমরাহ পালনের সুযোগ করে দিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। মিনা নামের ওই যুবক উম আলী নামের তার এক মুসলিম প্রতিবেশীকে বিনা খরচে ওমরাহ করানোর উদ্দেশ্যে নিজের নামে ওই ইসলামী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। নিজের জেতার সম্ভাবনা বাড়াতে তিনি ৫০ থেকে ৬০ বার সঠিক উত্তর জমা দেন এবং শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হন। মিনা জানান, উম আলীর পরিবারের সাথে তার সম্পর্ক ২০ বছরেরও বেশি সময়ের এবং তিনি তাকে নিজের বড় বোনের মতোই সম্মান করেন।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়ে মিনা জানান, তিনি ইসলামিক বক্তা ড. আইমান আবু ওমরের একটি লাইভ স্ট্রিম দেখছিলেন। সেখানে তিনি খেয়াল করেন যে, তার প্রতিবেশী উম আলী বা মোনা বিনা খরচে ওমরাহ জেতার আশায় কোরআনের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আগে থেকেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছিলেন। মিনা বলেন, একজন খ্রিস্টান হওয়া সত্ত্বেও তিনি শুধুমাত্র উম আলীর জন্য এই ইসলামী প্রতিযোগিতায় নাম লেখান। তিনি উম আলীকে জানিয়েছিলেন যে তিনিও তার পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন, যাতে উম আলী জিততে না পারলেও তিনি অন্তত তার হয়ে পুরস্কারটি নিশ্চিত করতে পারেন।

ওমরাহ পালন করা উম আলীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। শারীরিকভাবে সুস্থ ও চলাফেরায় সক্ষম থাকতেই তিনি যেন এই পবিত্র তীর্থযাত্রা সম্পন্ন করতে পারেন, সেজন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করে আসছিলেন। মিনা যখন তাকে বিজয়ী হওয়ার খবরটি জানান, তখন আনন্দে উম আলীর চোখ দিয়ে পানি চলে আসে। মিনা বলেন, তিনি ভাবতেও পারেননি যে ওমরাহ যাওয়ার সুযোগ পেয়ে কেউ এতটা খুশি হতে পারে।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে উম আলীর পরিবারের সাথে মিনার সম্পর্ক কেবল সাধারণ প্রতিবেশীর গণ্ডি পেরিয়ে এক আত্মিক সম্পর্কে রূপ নিয়েছে। তিনি উম আলীকে নিজের বড় বোন হিসেবে বিবেচনা করেন এবং তার বাবামাকে নিজের পরিবারের মতোই শ্রদ্ধা ও সম্মান করেন। অনন্য এই দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য মিনা এখন ব্যাপক প্রশংসায় ভাসছেন। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন