ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাড়ল কমদামি সিগারেটের দাম ফ্যামিলি কার্ড তৈরির ২৪২ কোটি টাকা খরচ ‘রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়’: সার্জিস আলম বিয়ের দুই মাসের মাথায় সড়কে ঝরল কিশোরের প্রাণ মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়িতে চলছে পিংক বাস, মাসে লোকসান ১২ লাখ! সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ আগে বলত ‘রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী’, এখন বলছে ‘গুপ্ত’: জাহিদুল ইসলাম মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: ডেপুটি স্পিকার অনিয়ম-দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা দেশটাকে খেয়ে ফেলছে: এটিএম আজহার সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার

‘ওসমান হাদির চিন্তা, বারুদমাখা কথা শতাব্দীর পর শতাব্দী টিকে থাকবে’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বললেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির চিন্তা, বক্তব্য ও আদর্শ দীর্ঘদিন মানুষের মাঝে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

ওসমান হাদির বক্তব্য সংকলন ‘বারুদমাখা কথামালা’ বইয়ের সম্পাদকীয়তে তিনি এ কথা বলেন।

মুসাদ্দিক আলী লেখেন, ‘শহীদ শরিফ ওসমান হাদি আমাদের পথ চলার পাথেয়, আমাদের সাহসের বাতিঘর। ওসমান হাদির আজন্ম লড়াই ছিল এই দেশকে কালচারাল ফ্যাসিবাদমুক্ত করা, কালচারাল মাইনরিটি ডানপন্থী বাঙালি মুসলমানদেরকে মেইনস্ট্রিমে নিয়ে আসা, শক্তিশালী করে তোলা এবং জুলাইয়ের বয়ানকে কালচারালি শক্তিশালী করা।’

তিনি লেখেন, ‘৫ আগস্টের পরপরই সবচেয়ে শক্তিশালী যে লড়াই শুরু হয়েছিল, সেটি হচ্ছে কালচারাল ফ্যাসিজমের জুলাইকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের কালচারাল বয়ান নির্মাণের লড়াই । সেই লড়াইয়ে কালচারাল যোদ্ধাদের যে ধরনের অংশগ্রহণ থাকার দরকার ছিল, সে তুলনায় খুব বেশি অংশগ্রহণ আমাদের চোখে পড়েনি । ওসমান হাদি এখানে ছিলেন নিঃসঙ্গ শেরপা। একলা পথের পথিকের মতো তিনি হেঁটে গিয়েছেন।’

সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, ‘তিনি যেভাবে জুলাইকে কালচারালি শক্তিশালী করার জন্য সংগ্রাম করেছেন এবং যেভাবে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদী এস্টাবলিশমেন্টকে রুখে দিয়ে নতুন কালচারাল বয়ান নির্মাণের প্রচেষ্টা দেখিয়েছেন, সেটি ভারতীয় আধিপত্যবাদীদের সহ্য হয়নি। সেজন্যই তারা শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করে তার অগ্রযাত্রাকে দমিয়ে দিতে চেয়েছে।’

মুসাদ্দিক আলী লেখেন, ‘আমরা যারা শরিফ ওসমান হাদির সহযোদ্ধারা বেঁচে আছি, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে ওসমান হাদির অসম্পূর্ণ কালচারাল বিপ্লবকে পরিপূর্ণ বিপ্লবে পরিণত করা। আর সেই লক্ষ্যে শহীদ ওসমান হাদির বয়ান ও চিন্তাকে পথনির্দেশনা হিসেবে গ্রহণ করার জন্য তার চিন্তাগুলোকে লিপিবদ্ধ করা এবং সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা অতীব জরুরি ছিল।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ল কমদামি সিগারেটের দাম

‘ওসমান হাদির চিন্তা, বারুদমাখা কথা শতাব্দীর পর শতাব্দী টিকে থাকবে’

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বললেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির চিন্তা, বক্তব্য ও আদর্শ দীর্ঘদিন মানুষের মাঝে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

ওসমান হাদির বক্তব্য সংকলন ‘বারুদমাখা কথামালা’ বইয়ের সম্পাদকীয়তে তিনি এ কথা বলেন।

মুসাদ্দিক আলী লেখেন, ‘শহীদ শরিফ ওসমান হাদি আমাদের পথ চলার পাথেয়, আমাদের সাহসের বাতিঘর। ওসমান হাদির আজন্ম লড়াই ছিল এই দেশকে কালচারাল ফ্যাসিবাদমুক্ত করা, কালচারাল মাইনরিটি ডানপন্থী বাঙালি মুসলমানদেরকে মেইনস্ট্রিমে নিয়ে আসা, শক্তিশালী করে তোলা এবং জুলাইয়ের বয়ানকে কালচারালি শক্তিশালী করা।’

তিনি লেখেন, ‘৫ আগস্টের পরপরই সবচেয়ে শক্তিশালী যে লড়াই শুরু হয়েছিল, সেটি হচ্ছে কালচারাল ফ্যাসিজমের জুলাইকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের কালচারাল বয়ান নির্মাণের লড়াই । সেই লড়াইয়ে কালচারাল যোদ্ধাদের যে ধরনের অংশগ্রহণ থাকার দরকার ছিল, সে তুলনায় খুব বেশি অংশগ্রহণ আমাদের চোখে পড়েনি । ওসমান হাদি এখানে ছিলেন নিঃসঙ্গ শেরপা। একলা পথের পথিকের মতো তিনি হেঁটে গিয়েছেন।’

সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, ‘তিনি যেভাবে জুলাইকে কালচারালি শক্তিশালী করার জন্য সংগ্রাম করেছেন এবং যেভাবে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদী এস্টাবলিশমেন্টকে রুখে দিয়ে নতুন কালচারাল বয়ান নির্মাণের প্রচেষ্টা দেখিয়েছেন, সেটি ভারতীয় আধিপত্যবাদীদের সহ্য হয়নি। সেজন্যই তারা শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করে তার অগ্রযাত্রাকে দমিয়ে দিতে চেয়েছে।’

মুসাদ্দিক আলী লেখেন, ‘আমরা যারা শরিফ ওসমান হাদির সহযোদ্ধারা বেঁচে আছি, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে ওসমান হাদির অসম্পূর্ণ কালচারাল বিপ্লবকে পরিপূর্ণ বিপ্লবে পরিণত করা। আর সেই লক্ষ্যে শহীদ ওসমান হাদির বয়ান ও চিন্তাকে পথনির্দেশনা হিসেবে গ্রহণ করার জন্য তার চিন্তাগুলোকে লিপিবদ্ধ করা এবং সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা অতীব জরুরি ছিল।’