ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাড়ল কমদামি সিগারেটের দাম ফ্যামিলি কার্ড তৈরির ২৪২ কোটি টাকা খরচ ‘রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়’: সার্জিস আলম বিয়ের দুই মাসের মাথায় সড়কে ঝরল কিশোরের প্রাণ মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়িতে চলছে পিংক বাস, মাসে লোকসান ১২ লাখ! সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ আগে বলত ‘রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী’, এখন বলছে ‘গুপ্ত’: জাহিদুল ইসলাম মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: ডেপুটি স্পিকার অনিয়ম-দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা দেশটাকে খেয়ে ফেলছে: এটিএম আজহার সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার

রাষ্ট্রপতি: আর রক্তপাত দেখতে চাই না, সমঝোতার রাজনীতি চাই

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

দেশের রাজনীতিতে আর রক্তপাত নয়, বরং সমঝোতার রাজনীতির কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, “আমরা আর রক্তপাত দেখতে চাই না, আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি, সেই গণতন্ত্রকে আমরা রক্ষা করতে চাই। আমরা বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই একটা সমঝোতার রাজনীতি দেখতে চাই।”

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড়মাঠে নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এটাই মির্জা ফখরুলের প্রথম নিজ জেলা সফর। দুই দিনের সরকারি সফরে রবিবার দুপুরে হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান তিনি। রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক।

এরপরে, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি তার শৈশব, স্কুল জীবনের স্মৃতি, প্রিয় শিক্ষকদের কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, “আমার জন্ম এখানে। আমার শৈশব কেটেছে এখানে, আমার স্কুলজীবন এখানে। আমার শিক্ষকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, তারা আমাকে মানুষ করেছেন। আমি রুস্তম আলী স্যার ও খান ইউসুফ স্যারকে ভুলতে পারি না। তারা আমাকে গড়ে তুলেছেন, চলতে শিখিয়েছেন, সততা ও নেতৃত্ব শিখিয়েছেন। এই জিনিসগুলো আমি কখনো ভুলতে পারবো না।’’

রাষ্ট্রপতি বলেন, “আমরা দেখতে চাই না, হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানের মধ্যে কোনো বিভেদ সৃষ্টি হোক। আমরা দেখতে চাই, সবাই একসঙ্গে একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে নিজেদের অধিকার নিয়ে বসবাস করুক।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে বলব- আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, মতবাদ প্রচার করবেন, কিন্তু সংঘাতে কখনো জড়াবেন না।”

নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু মো. খয়রুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুর রহমান, রাষ্ট্রপতির বাল্যবন্ধু অধ্যাপক মনতোষ কুমার দে, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দীন প্রধান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইএসডিওর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ শহীদ উজ-জামান।

সফরের দ্বিতীয় দিন আগামীকাল সোমবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ল কমদামি সিগারেটের দাম

রাষ্ট্রপতি: আর রক্তপাত দেখতে চাই না, সমঝোতার রাজনীতি চাই

আপডেট সময় ১১:৩৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের রাজনীতিতে আর রক্তপাত নয়, বরং সমঝোতার রাজনীতির কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, “আমরা আর রক্তপাত দেখতে চাই না, আমরা যে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি, সেই গণতন্ত্রকে আমরা রক্ষা করতে চাই। আমরা বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই একটা সমঝোতার রাজনীতি দেখতে চাই।”

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড়মাঠে নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এটাই মির্জা ফখরুলের প্রথম নিজ জেলা সফর। দুই দিনের সরকারি সফরে রবিবার দুপুরে হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান তিনি। রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক।

এরপরে, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি তার শৈশব, স্কুল জীবনের স্মৃতি, প্রিয় শিক্ষকদের কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, “আমার জন্ম এখানে। আমার শৈশব কেটেছে এখানে, আমার স্কুলজীবন এখানে। আমার শিক্ষকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, তারা আমাকে মানুষ করেছেন। আমি রুস্তম আলী স্যার ও খান ইউসুফ স্যারকে ভুলতে পারি না। তারা আমাকে গড়ে তুলেছেন, চলতে শিখিয়েছেন, সততা ও নেতৃত্ব শিখিয়েছেন। এই জিনিসগুলো আমি কখনো ভুলতে পারবো না।’’

রাষ্ট্রপতি বলেন, “আমরা দেখতে চাই না, হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানের মধ্যে কোনো বিভেদ সৃষ্টি হোক। আমরা দেখতে চাই, সবাই একসঙ্গে একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে নিজেদের অধিকার নিয়ে বসবাস করুক।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত, কোনো সংঘর্ষ চাই না। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে বলব- আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, মতবাদ প্রচার করবেন, কিন্তু সংঘাতে কখনো জড়াবেন না।”

নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক ডা. আবু মো. খয়রুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, জাতীয় সংসদের হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুর রহমান, রাষ্ট্রপতির বাল্যবন্ধু অধ্যাপক মনতোষ কুমার দে, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দীন প্রধান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইএসডিওর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ শহীদ উজ-জামান।

সফরের দ্বিতীয় দিন আগামীকাল সোমবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।