ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মোদী আয়োজিত নৈশভোজে গেলেন না জিনপিং! দম থাকলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করুন, নাগরিকদের মারবেন না: যুক্তরাষ্ট্রকে পেজেশকিয়ান বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কনের ভাই-বোনসহ নিহত ৪, আহত ৮ পৃথিবীতে মহাবিপর্যয় নেমে এলে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হবে যে দেশ সৌদিতে হুথিদের হামলায় মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত, আহত ২ এবার চাঁদ নিয়ে ট্রাম্পের দাবি, ‘চাঁদ আমাদের’ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কখনো আত্মসমর্পণ করবে না ইরান: মাসুদ পেজেশকিয়ান সংসদে রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঝাড়ু মিছিল বাংলাদেশের হুজুরদের পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে দেবে না ভারত সরকার: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু আমার কাছে কাউকে আসতে হবে না, রাতের আঁধারে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে মানুষের দুয়ারে এমপি হানজালা

পৃথিবীতে মহাবিপর্যয় নেমে এলে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হবে যে দেশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

এবার বিশ্বজুড়ে যদি কোনো ভয়াবহ বিপর্যয়; যেমন পারমাণবিক যুদ্ধের কারণেনিউক্লিয়ার উইন্টার’, বিশাল কোনো গ্রহাণুর আঘাত, ভয়াবহ মহামারি কিংবা প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার কারণে বিপর্যয় ঘটে তাহলে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে ভালোভাবে টিকে থাকার অবস্থানে থাকা দেশগুলোর একটি হতে পারে অস্ট্রেলিয়া। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে এবিসি। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা, খাদ্য ও জ্বালানি উৎপাদনে সম্ভাব্য স্বনির্ভরতা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দেশটিকে বিভিন্ন ধরনের বৈশ্বিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। তবে গবেষকদের সতর্কবার্তা হলো, কোনো দেশই এমন বিপর্যয়ের প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকবে না। শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার সক্ষমতা অনেকটাই নির্ভর করতে পারে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও কমিউনিটির প্রস্তুতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর।

গ্লোবাল ক্যাটাস্ট্রফিক রিস্ককী – যে কোনো ঘটনা যদি বিশ্বের অন্তত ১০ শতাংশ মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে, সেটিকেগ্লোবাল ক্যাটাস্ট্রফিক রিস্কবা বৈশ্বিক বিপর্যয়কর ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা যায়। এসব ঝুঁকিকে সাধারণত তিনটি বড় ভাগে দেখা হয়। এর মধ্যে রয়েছেসূর্যালোকের আকস্মিক হ্রাস; অবকাঠামোর ব্যাপক ধ্বংস বা অচল হয়ে যাওয়া ও বৈশ্বিক জৈবিক হুমকি বা মহামারি। গবেষক ম্যাট বয়েডের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি কেবল কল্পবিজ্ঞানের বিষয় নয়। ইতিহাসে বড় মাত্রার আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ এবং রাজনৈতিক ও সম্রাজ্যের পতনও ঘটেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। কোভিড১৯ মহামারি বৈশ্বিক বিপর্যয়ের সংজ্ঞায় পুরোপুরি না পড়লেও এটি বিশ্বের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতার ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করেছিল।

কেন অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড এগিয়ে? গবেষণায় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে অনেক ধরনের বৈশ্বিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছেভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা: দুই দেশই বিশ্বের অন্যান্য প্রধান জনবসতি থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন। ফলে কিছু ধরনের মহামারি, যুদ্ধ বা অন্যান্য বিপর্যয়ের প্রভাব তুলনামূলক দেরিতে পৌঁছাতে পারে। খাদ্য উৎপাদনের সক্ষমতা: অস্ট্রেলিয়ার বিশাল কৃষিজমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ দেশটিকে খাদ্য উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য স্বনির্ভরতা দিতে পারে। জ্বালানি ও অবকাঠামো: নিজস্ব জ্বালানি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের মজুত থাকায় দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক সংকটে দেশটি কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও তুলনামূলক স্থিতিশীল রাজনৈতিক ব্যবস্থা সংকট মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হতে পারে।

বড় শহর কেন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ? গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, ঘনবসতিপূর্ণ বড় শহরগুলো অনেক ধরনের বৈশ্বিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বড় শহরে বিপুলসংখ্যক মানুষ খুব অল্প জায়গায় বসবাস করে। তাদের জীবনযাত্রা নির্ভর করে পানি, খাদ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, পরিবহন ও অন্যান্য আন্তঃসংযুক্ত ব্যবস্থার ওপর। কোনো বড় দুর্যোগে এসব ব্যবস্থার একটি অংশ অচল হয়ে গেলে তার প্রভাব দ্রুত অন্য ক্ষেত্রেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বড় কোনো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে বায়ুমণ্ডলে ছাই ও কণা ছড়িয়ে সূর্যালোক কমে গেলে কৃষি ও খাদ্য সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একইভাবে বড় ধরনের সাইবার হামলা শহরের বিদ্যুৎ, পানি, পরিবহন ও যোগাযোগব্যবস্থাকে অচল করে দিতে পারে। আর কোনো নতুন বৈশ্বিক মহামারি দেখা দিলে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বেশি।

আঞ্চলিক অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ সুবিধা- শুধু অস্ট্রেলিয়া নামের একটি দেশকে এককভাবে দেখলে পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না। গবেষকদের মতে, সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় কমিউনিটির সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোভিড১৯ মহামারির সময় অনেক অস্ট্রেলীয় বড় শহর ছেড়ে অপেক্ষাকৃত ছোট ও আঞ্চলিক এলাকায় চলে গিয়েছিলেন। নিউ সাউথ ওয়েলসের দক্ষিণ উপকূলের বেগা ভ্যালি তার একটি উদাহরণ। প্রায় ৪০ হাজার মানুষের এই অঞ্চলে একাধিক ছোট শহর ও গ্রাম রয়েছে। খানকার বাসিন্দা কেট সলিসের মতে, বেগা ভ্যালির বড় শক্তি হলো এর সামাজিক সংযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা। সংকটের সময় মানুষ একে অপরের ওপর নির্ভর করতে পারে, এমন সামাজিক বন্ধন দুর্যোগের পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দুর্যোগের আগে একটি কমিউনিটির মধ্যে সামাজিক সংহতি যত বেশি থাকে, দুর্যোগের পর সেটি কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনাও তত বেশি হতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদী আয়োজিত নৈশভোজে গেলেন না জিনপিং!

পৃথিবীতে মহাবিপর্যয় নেমে এলে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হবে যে দেশ

আপডেট সময় ১০:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার বিশ্বজুড়ে যদি কোনো ভয়াবহ বিপর্যয়; যেমন পারমাণবিক যুদ্ধের কারণেনিউক্লিয়ার উইন্টার’, বিশাল কোনো গ্রহাণুর আঘাত, ভয়াবহ মহামারি কিংবা প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার কারণে বিপর্যয় ঘটে তাহলে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে ভালোভাবে টিকে থাকার অবস্থানে থাকা দেশগুলোর একটি হতে পারে অস্ট্রেলিয়া। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে এবিসি। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা, খাদ্য ও জ্বালানি উৎপাদনে সম্ভাব্য স্বনির্ভরতা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দেশটিকে বিভিন্ন ধরনের বৈশ্বিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। তবে গবেষকদের সতর্কবার্তা হলো, কোনো দেশই এমন বিপর্যয়ের প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকবে না। শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার সক্ষমতা অনেকটাই নির্ভর করতে পারে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও কমিউনিটির প্রস্তুতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর।

গ্লোবাল ক্যাটাস্ট্রফিক রিস্ককী – যে কোনো ঘটনা যদি বিশ্বের অন্তত ১০ শতাংশ মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে, সেটিকেগ্লোবাল ক্যাটাস্ট্রফিক রিস্কবা বৈশ্বিক বিপর্যয়কর ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা যায়। এসব ঝুঁকিকে সাধারণত তিনটি বড় ভাগে দেখা হয়। এর মধ্যে রয়েছেসূর্যালোকের আকস্মিক হ্রাস; অবকাঠামোর ব্যাপক ধ্বংস বা অচল হয়ে যাওয়া ও বৈশ্বিক জৈবিক হুমকি বা মহামারি। গবেষক ম্যাট বয়েডের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি কেবল কল্পবিজ্ঞানের বিষয় নয়। ইতিহাসে বড় মাত্রার আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ এবং রাজনৈতিক ও সম্রাজ্যের পতনও ঘটেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। কোভিড১৯ মহামারি বৈশ্বিক বিপর্যয়ের সংজ্ঞায় পুরোপুরি না পড়লেও এটি বিশ্বের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতার ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করেছিল।

কেন অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড এগিয়ে? গবেষণায় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে অনেক ধরনের বৈশ্বিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছেভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা: দুই দেশই বিশ্বের অন্যান্য প্রধান জনবসতি থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন। ফলে কিছু ধরনের মহামারি, যুদ্ধ বা অন্যান্য বিপর্যয়ের প্রভাব তুলনামূলক দেরিতে পৌঁছাতে পারে। খাদ্য উৎপাদনের সক্ষমতা: অস্ট্রেলিয়ার বিশাল কৃষিজমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ দেশটিকে খাদ্য উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য স্বনির্ভরতা দিতে পারে। জ্বালানি ও অবকাঠামো: নিজস্ব জ্বালানি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের মজুত থাকায় দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক সংকটে দেশটি কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও তুলনামূলক স্থিতিশীল রাজনৈতিক ব্যবস্থা সংকট মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হতে পারে।

বড় শহর কেন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ? গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, ঘনবসতিপূর্ণ বড় শহরগুলো অনেক ধরনের বৈশ্বিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বড় শহরে বিপুলসংখ্যক মানুষ খুব অল্প জায়গায় বসবাস করে। তাদের জীবনযাত্রা নির্ভর করে পানি, খাদ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, পরিবহন ও অন্যান্য আন্তঃসংযুক্ত ব্যবস্থার ওপর। কোনো বড় দুর্যোগে এসব ব্যবস্থার একটি অংশ অচল হয়ে গেলে তার প্রভাব দ্রুত অন্য ক্ষেত্রেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বড় কোনো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে বায়ুমণ্ডলে ছাই ও কণা ছড়িয়ে সূর্যালোক কমে গেলে কৃষি ও খাদ্য সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একইভাবে বড় ধরনের সাইবার হামলা শহরের বিদ্যুৎ, পানি, পরিবহন ও যোগাযোগব্যবস্থাকে অচল করে দিতে পারে। আর কোনো নতুন বৈশ্বিক মহামারি দেখা দিলে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বেশি।

আঞ্চলিক অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ সুবিধা- শুধু অস্ট্রেলিয়া নামের একটি দেশকে এককভাবে দেখলে পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না। গবেষকদের মতে, সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় কমিউনিটির সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোভিড১৯ মহামারির সময় অনেক অস্ট্রেলীয় বড় শহর ছেড়ে অপেক্ষাকৃত ছোট ও আঞ্চলিক এলাকায় চলে গিয়েছিলেন। নিউ সাউথ ওয়েলসের দক্ষিণ উপকূলের বেগা ভ্যালি তার একটি উদাহরণ। প্রায় ৪০ হাজার মানুষের এই অঞ্চলে একাধিক ছোট শহর ও গ্রাম রয়েছে। খানকার বাসিন্দা কেট সলিসের মতে, বেগা ভ্যালির বড় শক্তি হলো এর সামাজিক সংযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা। সংকটের সময় মানুষ একে অপরের ওপর নির্ভর করতে পারে, এমন সামাজিক বন্ধন দুর্যোগের পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দুর্যোগের আগে একটি কমিউনিটির মধ্যে সামাজিক সংহতি যত বেশি থাকে, দুর্যোগের পর সেটি কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনাও তত বেশি হতে পারে।