ঢাকা , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দাবি না মানলে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হবে: জামায়াতের আমির কমলাপুর রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ককটেল বিস্ফোরণ অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন, জানাজা কাল সকাল ১০টায় সারাদেশে এখন জনমনে আতঙ্ক, মানুষের নিরাপত্তা নেই: নাহিদ ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়ালে পাকিস্তানে মহাবিপর্যয় নেমে আসবে: রাজা নাসির আব্বাস ভারতীয় পণ্যে ১০০ শতাংশ মার্কিন শুল্কারোপের শঙ্কা, ঘুম হারাম রপ্তানিকারকদের এবার রাজধানীর বাড্ডায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে প্রশাসনের একটি অংশ ষড়যন্ত্র করছে: যুবদল নেতা নয়ন নভেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন তরুণদের চাকরি দেওয়ার বদলে কেড়ে নেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে: সিবগাতুল্লাহ

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে যা জানাল ভারত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাক্ষরিত শতাধিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাংলাদেশ পর্যালোচনা করছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এলেও এ বিষয়ে ঢাকা থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা পায়নি নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ কথা স্পষ্ট করেছেন মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। একই সঙ্গে আসন্ন গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন ও নদী সংক্রান্ত বিষয়েও ভারতের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি। শুক্রবার সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বিগত সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্পন্ন হওয়া শতাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পুনর্মূল্যায়ন বা পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ট্রানজিট পণ্য পরিবহনে ভারতীয় জাহাজের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও রয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো উদ্বেগ বা পর্যালোচনা প্রস্তাব নয়াদিল্লির কাছে পাঠানো হয়েছে কি না। ই-পেপারসাবস্ক্রাইব করুন

জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরাও এই সংক্রান্ত বেশ কিছু সংবাদ গণমাধ্যমে দেখেছি, তবে এ বিষয়ে আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছুই জানানো হয়নি।’ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে তিনি আরো জানান, নিজেদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যা যা করণীয়, ভারত সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

এদিকে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি ঐতিহাসিক গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ দ্রুত ফুরিয়ে আসা এবং যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) বৈঠকের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মুখপাত্র ইতিবাচক বার্তা দেন। তিনি জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পানিসম্পদ ও নদীসংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় আলোচনার জন্য যৌথ নদী কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক মেকানিজম বিদ্যমান রয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় পানি বণ্টন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। ট্রাভেলগাইড পড়ুন

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দাবি না মানলে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হবে: জামায়াতের আমির

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে যা জানাল ভারত

আপডেট সময় ০৯:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাক্ষরিত শতাধিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাংলাদেশ পর্যালোচনা করছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এলেও এ বিষয়ে ঢাকা থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা পায়নি নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ কথা স্পষ্ট করেছেন মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। একই সঙ্গে আসন্ন গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন ও নদী সংক্রান্ত বিষয়েও ভারতের অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি। শুক্রবার সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বিগত সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্পন্ন হওয়া শতাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পুনর্মূল্যায়ন বা পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ট্রানজিট পণ্য পরিবহনে ভারতীয় জাহাজের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও রয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো উদ্বেগ বা পর্যালোচনা প্রস্তাব নয়াদিল্লির কাছে পাঠানো হয়েছে কি না। ই-পেপারসাবস্ক্রাইব করুন

জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরাও এই সংক্রান্ত বেশ কিছু সংবাদ গণমাধ্যমে দেখেছি, তবে এ বিষয়ে আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছুই জানানো হয়নি।’ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে তিনি আরো জানান, নিজেদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যা যা করণীয়, ভারত সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

এদিকে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি ঐতিহাসিক গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ দ্রুত ফুরিয়ে আসা এবং যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) বৈঠকের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মুখপাত্র ইতিবাচক বার্তা দেন। তিনি জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পানিসম্পদ ও নদীসংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় আলোচনার জন্য যৌথ নদী কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক মেকানিজম বিদ্যমান রয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় পানি বণ্টন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। ট্রাভেলগাইড পড়ুন