নাটোরে দুই শিশুর মধ্যে বিরোধের জেরে আট বছর বয়সী এক শিশুর ডান হাতের আঙুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কনস্টেবল মো. শাকিল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। আহত শিশুটিকে প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কনস্টেবল শাকিল নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত এবং শিশুটির পরিবারের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তাদের বাসায় আয়োজিত একটি পিকনিকে দুই শিশুর মধ্যে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বিরোধ হয়। পরে দুই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসা করেন।
শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, পরদিন শাকিল শিশুটিকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তার স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে শিশুটির ডান হাতের শাহাদাত আঙুল ধরে রেখে ধারালো বটি দিয়ে আঙুলে কোপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় বলে পরিবারের দাবি।
পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. মাহমুদুল হাসান বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নাটোর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, কনস্টেবল শাকিলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, শিশুটি তার চার বছর বয়সী মেয়েকে যৌন নিপীড়ন করেছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মামলা বা প্রমাণের তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত শাকিলের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতেখায়ের আলম বলেন, বিষয়টি পুলিশ জেনেছে। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনা

ডেস্ক রিপোর্ট 






















