ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার আহ্বান স্পিকারের যুবদল নেতা নয়নের ‘দাড়িওয়ালাদের আস্তানা’ স্লোগানের প্রতিবাদ জামায়াতের পাকিস্তানের ‘স্বৈরাচারীদের’ রুখে দেওয়ার আহ্বান ইমরান খানের ছেলের বাবার কষ্টের দিন শেষ করার স্বপ্ন, নিয়োগের আগেই থামল সোহানের পথ কেউ চাঁদা চাইলে থানায় সোপর্দ করবেন: ধর্মমন্ত্রী এবার মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা, অফিসে হামলা-ভাঙচুর নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরাল ইরান একতরফা সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জোরালো আহ্বান বর্তমান সরকার যুবকদের লুটতরাজের জন্য দলীয় ক্যাডার বানাচ্ছে: সাবেক শিবির সভাপতি

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় বেশিরভাগ সিট ফাঁকা ছিল: শিশির মনির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় মিলনায়তনে উপস্থিত প্রতিনিধি ও দর্শকের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত কম এবং অধিকাংশ আসনই ফাঁকা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

গতকাল শুক্রবার রাতে একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন অডিয়েন্সে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল না। পুরো ভাষণটির ভিডিও কয়েকবার পর্যালোচনা করে এমন চিত্র দেখা গেছে।

শিশির মনির বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিচ্ছেন, তখন অডিয়েন্সে বেশি মানুষ ছিল না। ভিডিওটা দুই-তিনবার রিওয়াইন্ড করে দেখেছি যে ম্যাক্সিমাম সিট ফাঁকা ছিল। কী কারণে এমনটি হয়েছে বা কেন আসনগুলো ফাঁকা ছিল, সেই কারণ আমার জানা নেই।’

তিনি ভাষণের উপস্থাপন শৈলী নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘বক্তব্যটি পুরোটাই তিনি স্ক্রিপ্ট দেখে দেখে পড়ে শুনিয়েছেন। অন্যান্য আন্তর্জাতিক নেতাদের বক্তব্যে অনেক সময় স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা যায়, যা গভীর চিন্তা ও গভীর ভাবনা থেকে আসে। কিন্তু সবকিছু যদি শুধু লিখে নিয়ে পড়া হয়, তবে অনেক সময় বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে যায়।’

তবে এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয়তার প্রশংসাও করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে কিছু নতুনত্ব অবশ্যই ছিল। সেটি হলো তার সারল্য এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের নতুনত্ব। তিনি ঘণ্টায় ঘণ্টায় একের পর এক সাইডলাইন বৈঠক করেছেন।’

ভাষণ চলাকালে উপস্থিতির প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান, পুরো ২১ মিনিট কয়েক সেকেন্ডের বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলার সময় উপস্থিত হাতে গোনা কিছু মানুষ সেখানে হাততালি দিয়েছিলেন, যা পুরো ভাষণে বড়জোর তিনবার হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় বেশিরভাগ সিট ফাঁকা ছিল: শিশির মনির

আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় মিলনায়তনে উপস্থিত প্রতিনিধি ও দর্শকের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত কম এবং অধিকাংশ আসনই ফাঁকা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

গতকাল শুক্রবার রাতে একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন অডিয়েন্সে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল না। পুরো ভাষণটির ভিডিও কয়েকবার পর্যালোচনা করে এমন চিত্র দেখা গেছে।

শিশির মনির বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিচ্ছেন, তখন অডিয়েন্সে বেশি মানুষ ছিল না। ভিডিওটা দুই-তিনবার রিওয়াইন্ড করে দেখেছি যে ম্যাক্সিমাম সিট ফাঁকা ছিল। কী কারণে এমনটি হয়েছে বা কেন আসনগুলো ফাঁকা ছিল, সেই কারণ আমার জানা নেই।’

তিনি ভাষণের উপস্থাপন শৈলী নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘বক্তব্যটি পুরোটাই তিনি স্ক্রিপ্ট দেখে দেখে পড়ে শুনিয়েছেন। অন্যান্য আন্তর্জাতিক নেতাদের বক্তব্যে অনেক সময় স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা যায়, যা গভীর চিন্তা ও গভীর ভাবনা থেকে আসে। কিন্তু সবকিছু যদি শুধু লিখে নিয়ে পড়া হয়, তবে অনেক সময় বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে যায়।’

তবে এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয়তার প্রশংসাও করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে কিছু নতুনত্ব অবশ্যই ছিল। সেটি হলো তার সারল্য এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের নতুনত্ব। তিনি ঘণ্টায় ঘণ্টায় একের পর এক সাইডলাইন বৈঠক করেছেন।’

ভাষণ চলাকালে উপস্থিতির প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান, পুরো ২১ মিনিট কয়েক সেকেন্ডের বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলার সময় উপস্থিত হাতে গোনা কিছু মানুষ সেখানে হাততালি দিয়েছিলেন, যা পুরো ভাষণে বড়জোর তিনবার হয়েছে।