এবার বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার হওয়া আসামি রাজা ওরফে পিচ্চি রাজা (৩০) ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালত থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার–১ এ আনার নেওয়ার পথে পালিয়েছেন। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের নগরীর বাইমাইল ময়লার ভাগাড়ের পাশে৷
পুলিশ ও কারাগার সূত্র জানায়, মামলার শুনানি সহ হাজিরা দেওয়া জন্য প্রতিদিনই গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আসামি নেওয়া না হয়। প্রতিদিনের মতো রোববার সকালে বিচারিক কার্যের জন্য কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৩০ আসামিকে নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে নেওয়া হয়৷ আদালতের কাজ শেষে বিকালে ঢাকা হতে তাদের পুনরায় কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে আসার পথে আসামি রাজা শৌচাগারে যাবেন বলে চিৎকার শুরু করে। আসামি বহনকারী গাড়িটি গাজীপুর মহানগরের বাইমাইল এলাকায় পৌঁছালে সঙ্গে থাকা এসআই তাকে শৌচাগারে যাওয়ার জন্য নিচে নামায়। এ সময়েই ওই আসামি কৌশলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। বাকি ২৯ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সূত্রটি আরও জানায়, চলতি বছরের ১৯ মে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবরে পুলিশ বিমানবন্দরে অবস্থান নিয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদেরকে হেফাজতে নেওয়া হয়। রাজা ওরফে পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান বলেন, ঢাকা আদালত থেকে কাশিমপুর কারাগারে আনার পথে একজন বন্দি পালিয়ে গিয়েছে। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি ওই বন্দির টয়লেটে চাপ দিয়েছে বলে চিৎকার চেঁচামেচি করছিলেন। পরে তাকে টয়লেট করানোর জন্য নিচে নামানো হলে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে, বিস্তারিত আরও পরে বলা যাবে। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার–১ এর সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের কারাগারে বন্দি রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে পুলিশ আজ আদালতে নিয়ে যায়। আদালত থেকে ফেরার পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি পালিয়ে গেছেন। তিনি বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় বন্দি ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















