ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘নতুন ধান্দা, কেউ টাকা দিবেন না’: হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে হামিম ৯৬ কার্ডের সুবিধা মিলবে এক ইউনিভার্সাল কার্ডে! সালমান মুক্তাদির ভিকটিম নাকি ভূমিদস্যুর সহযোগী: প্রশ্ন তারেক রহমানের ভারতে ৬ শতাব্দী পুরোনো মসজিদ ভাঙা ঠেকাতে রাতেও পাহারা দিচ্ছেন মুসল্লিরা মিরপুরে রাড্ডার হামলাকে ইসরায়েলি হামলার সঙ্গে তুলনা করলেন ব্যারিস্টার ‍ফুয়াদ ইউক্রেনকে ক্ষমা চাইতে হবে: দক্ষিণ কোরিয়া চাঁদাবাজির বিকল্প হিসেবে গণভিক্ষা কর্মসূচির ঘোষণা হাসনাতের, দানবাক্স উন্মুক্ত আজ এমন সাইবার সুরক্ষা আইন করতে চাই যেন সমাজের সব মানুষ রক্ষা পায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাড্ডা ক্লিনিক দখলমুক্ত ঘোষণা, সাইনবোর্ড টানালেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন সাকিব আল হাসান

ইউক্রেনকে ক্ষমা চাইতে হবে: দক্ষিণ কোরিয়া

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

এবার উত্তর কোরিয়ার দুই যুদ্ধবন্দিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তরের খবর প্রকাশ এবং গোপনীয়তার চুক্তি অস্বীকার করায় ইউক্রেনের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও ক্ষমা প্রার্থনা চেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির কার্যালয়। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির জনসংযোগ বিষয়ক সিনিয়র সচিব সং ঘি–হং এক বিবৃতিতে জানানয, গোপনীয়তা রক্ষার চুক্তি সত্ত্বেও ইউক্রেনের একতরফা তথ্য প্রকাশ এবং চুক্তি অস্বীকারের বিষয়ে সিউল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে। প্রয়োজন হলে সিউল এই বিষয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বন্দিদের দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়টি গোপন রাখার আবেদন ইউক্রেন নিজেই বিভিন্ন মাধ্যমে বারবার করে এসেছিল। কেননা বন্দি বিনিময়ের সুযোগ নষ্টের অভিযোগে কিয়েভ নিজ দেশে সমালোচনার মুখে পড়তে পারত। কূটনৈতিক, সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সিউল গোপনীয়তা বজায় রাখতে রাজি হয়েছিল।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করার সময় বন্দি হওয়া উত্তর কোরিয়ার দুই সেনাকে সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পরপরই চুক্তি ভঙ্গের জন্য কিয়েভের কঠোর সমালোচনা করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়াং।

কিয়েভের এমন ভূমিকায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সিউল সতর্ক করেছে। ইউক্রেন ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চল থেকে উত্তর কোরিয়ার এই দুই সেনাকে জীবিত আটক করেছিল। পরবর্তীতে ওই বন্দিরা দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্র: সিএনএন

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘নতুন ধান্দা, কেউ টাকা দিবেন না’: হাসনাতের ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ নিয়ে হামিম

ইউক্রেনকে ক্ষমা চাইতে হবে: দক্ষিণ কোরিয়া

আপডেট সময় ০১:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার উত্তর কোরিয়ার দুই যুদ্ধবন্দিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তরের খবর প্রকাশ এবং গোপনীয়তার চুক্তি অস্বীকার করায় ইউক্রেনের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও ক্ষমা প্রার্থনা চেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির কার্যালয়। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির জনসংযোগ বিষয়ক সিনিয়র সচিব সং ঘি–হং এক বিবৃতিতে জানানয, গোপনীয়তা রক্ষার চুক্তি সত্ত্বেও ইউক্রেনের একতরফা তথ্য প্রকাশ এবং চুক্তি অস্বীকারের বিষয়ে সিউল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে। প্রয়োজন হলে সিউল এই বিষয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বন্দিদের দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়টি গোপন রাখার আবেদন ইউক্রেন নিজেই বিভিন্ন মাধ্যমে বারবার করে এসেছিল। কেননা বন্দি বিনিময়ের সুযোগ নষ্টের অভিযোগে কিয়েভ নিজ দেশে সমালোচনার মুখে পড়তে পারত। কূটনৈতিক, সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সিউল গোপনীয়তা বজায় রাখতে রাজি হয়েছিল।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করার সময় বন্দি হওয়া উত্তর কোরিয়ার দুই সেনাকে সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পরপরই চুক্তি ভঙ্গের জন্য কিয়েভের কঠোর সমালোচনা করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়াং।

কিয়েভের এমন ভূমিকায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সিউল সতর্ক করেছে। ইউক্রেন ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চল থেকে উত্তর কোরিয়ার এই দুই সেনাকে জীবিত আটক করেছিল। পরবর্তীতে ওই বন্দিরা দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্র: সিএনএন