এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর সেক্রেটারি ড. মো. রেজাউল করিম বলেছেন, ইনসাফভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ১৯ জুলাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য জামায়াতের জাতীয় সমাবেশ একটি জনস্রোতে পরিণত হবে। সমাবেশকে ঘিরে সারাদেশে ব্যাপক সাড়া পড়েছে এবং এটি এক বিশাল জনসমাগমে রূপ নেবে ইনশাআল্লাহ।
আজ বুধবার (১৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর কারওয়ানবাজার এলাকায় হাতিরঝিল অঞ্চলের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শেষে এক পথসভায় তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, এই জনসমাবেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অবিলম্বে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন নিশ্চিত করা। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি এবং রাজনৈতিক মাঠে সমান সুযোগ তৈরির জন্য এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের নামে যারা হাজার হাজার মানুষকে খুন, গুম ও পঙ্গু করেছে—তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনাসহ সব ফ্যাসিস্টের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে সব গণহত্যার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচার করতে হবে এবং জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। তিনি প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবিও জানান।
ড. রেজাউল করিম বলেন, একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ, দুর্নীতিমুক্ত ও স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এই দেশ পেয়েছি। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে বাংলাদেশ গড়ে উঠেছিল, সেখানে আর হত্যাকাণ্ড, গুম, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির স্থান নেই। তাই আগামী বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ, ইসলামের বাংলাদেশ, কোরআনের বাংলাদেশ, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষের বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত, একটি আদর্শ রাষ্ট্রব্যবস্থা। ১৯ জুলাইয়ের এই সমাবেশ সেই রূপান্তর ও নবনির্মাণের সূচনার দিন হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি সবাইকে এই সমাবেশে অংশগ্রহণ এবং শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার আহ্বান জানান।

ডেস্ক রিপোর্ট 















