ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মেসির অবসরের পরই রোনালদোকে ‘সর্বকালের সেরা’ ঘোষণা নেপাল-চীনে ভয়াবহ বন্যায় মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা, প্রশ্ন শুনে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগসহ ৯ দাবি জামায়াতের রাস্তার পাশে বাস থামিয়ে রাখলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে: ট্রাফিক কমিশনার স্থানীয় নির্বাচনে জোটে নয়, আলাদা প্রার্থী দেবে দলগুলো: গোলাম পরওয়ার ইরানের হামলায় ১ হাজারের বেশি ইসরায়েলি সেনা নিহত প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত যাবেন, আলোচনা চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী মানবতার স্বার্থে পুতিনকে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান মোদির

ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা, প্রশ্ন শুনে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করায় এক সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্নটিকে ‘বোকার মতো’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ওভাল অফিসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা তিনি নাকচ করছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি সম্ভাবনাটি নাকচ করে দিচ্ছি। এর কোনো কারণ নেই। আসলে, এটা কী বোকার মতো প্রশ্ন!’

ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ইতোমধ্যেই সামরিকভাবে পুরোপুরি পরাজিত হয়েছে। তাই দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা তো পুরোপুরি পরাজিত। আমি তাদের পরাজিত করলাম, আর এর ওপর আবার তাদের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করব?’

গালফ নিউজ জানিয়েছে, ট্রাম্প এ বক্তব্যের মাধ্যমে নতুন কোনো পারমাণবিক নীতি ঘোষণা করেননি। তিনি শুধু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের কোনো কারণ নেই।

এর আগে এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের সাবেক সন্ত্রাস দমন উপদেষ্টা জো কেন্ট বলেছিলেন, প্রচলিত সামরিক পদ্ধতিতে ইরানের নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথ বেছে নিতে পারে। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রে ফের উত্তেজনা

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের আগে হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি রকেট উৎক্ষেপণকারী স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। জুলাইয়ের শেষের পর ইরানের ভূখণ্ডে এটি ছিল ওয়াশিংটনের প্রথম হামলা।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই স্থাপনাগুলো থেকে সমুদ্র মাইন বহনকারী রকেট মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছিল। এতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ঝুঁকিতে পড়তে পারত।

হামলার পর জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। পরে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানায়, তাদের আঞ্চলিক জলসীমার ওপর দিয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে।

এদিকে, ভবিষ্যতে আরও সামরিক হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প। সর্বশেষ মার্কিন হামলাকে ‘সীমিত’ উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেছেন, প্রয়োজন হলে ওয়াশিংটন আবারও ইরানে হামলা চালাতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মেসির অবসরের পরই রোনালদোকে ‘সর্বকালের সেরা’ ঘোষণা

ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা, প্রশ্ন শুনে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৩:০০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করায় এক সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্নটিকে ‘বোকার মতো’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ওভাল অফিসে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা তিনি নাকচ করছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি সম্ভাবনাটি নাকচ করে দিচ্ছি। এর কোনো কারণ নেই। আসলে, এটা কী বোকার মতো প্রশ্ন!’

ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ইতোমধ্যেই সামরিকভাবে পুরোপুরি পরাজিত হয়েছে। তাই দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা তো পুরোপুরি পরাজিত। আমি তাদের পরাজিত করলাম, আর এর ওপর আবার তাদের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করব?’

গালফ নিউজ জানিয়েছে, ট্রাম্প এ বক্তব্যের মাধ্যমে নতুন কোনো পারমাণবিক নীতি ঘোষণা করেননি। তিনি শুধু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের কোনো কারণ নেই।

এর আগে এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের সাবেক সন্ত্রাস দমন উপদেষ্টা জো কেন্ট বলেছিলেন, প্রচলিত সামরিক পদ্ধতিতে ইরানের নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের পথ বেছে নিতে পারে। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রে ফের উত্তেজনা

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের আগে হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি রকেট উৎক্ষেপণকারী স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। জুলাইয়ের শেষের পর ইরানের ভূখণ্ডে এটি ছিল ওয়াশিংটনের প্রথম হামলা।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই স্থাপনাগুলো থেকে সমুদ্র মাইন বহনকারী রকেট মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছিল। এতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ঝুঁকিতে পড়তে পারত।

হামলার পর জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। পরে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানায়, তাদের আঞ্চলিক জলসীমার ওপর দিয়ে আসা একটি ইরানি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে।

এদিকে, ভবিষ্যতে আরও সামরিক হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প। সর্বশেষ মার্কিন হামলাকে ‘সীমিত’ উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেছেন, প্রয়োজন হলে ওয়াশিংটন আবারও ইরানে হামলা চালাতে পারে।