ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রয়োজনে আমরা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত: জামায়াতে আমির ট্রাম্প মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, পদচ্যুতি দরকার: সাবেক সিআইএ পরিচালক লেবানন-ইরানে হামলাকে তুরস্কের ওপর হামলা হিসেবে দেখা হবে: ইসরাইলকে এরদোগানের হুঁশিয়ারি ১০০ টাকা রিচার্জে সেবা মেলে মাত্র ৬২ টাকার, পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার ইরান ক্ষেপণাস্ত্র তাক করতেই হরমুজ থেকে ‘পালাল’ মার্কিন যুদ্ধজাহাজ আগামী সপ্তাহ থেকে ভারতীয় ভিসা পাবেন বাংলাদেশিরা অনলাইন জুয়াই মাদরাসার ৭০ হাজার টাকা হারিয়ে শিক্ষকের আত্মহত্যা হামলার মাত্র ৫ দিনেই ক্ষতিগ্রস্ত রেলপথ মেরামত করলো ইরান, যোগাযোগ স্বাভাবিক পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও বড় যে অস্ত্র এখন ইরানের হাতে ট্রাম্পের নৌ অবরোধের হুমকি ‘অত্যন্ত হাস্যকর’: ইরানের নৌবাহিনী প্রধান

শত্রু যখন ভুল করে, তখন তাকে বাধা দিও না: দ্য ইকোনমিস্ট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্রিটিশ ম্যাগাজিনদ্য ইকোনমিস্ট’-এর নতুন সংখ্যায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের নিয়ে একটি আলোচিত প্রচ্ছদ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি রয়েছে। প্রচ্ছদে ইঙ্গিত করা হয়েছে, ইরান বিষয়ে ট্রাম্পের ভুল সিদ্ধান্ত চীনের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে। ম্যাগাজিনটির প্রচ্ছদে লেখা আছে, ‘শত্রু যখন ভুল করে, তখন তাকে বাধা দিও না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ বড় একটি কৌশলগত ভুল হতে পারে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারে চীন।দ্য ইকোনমিস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার উদ্দেশ্য দেশটির শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি থামিয়ে দেওয়া। এমনটাই মনে করেন এই যুদ্ধের সমর্থকেরা। সবচেয়ে কট্টর সমর্থকদের মতে, এই যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে এবং চীনের ওপরও চাপ তৈরি হবে। কারণ বিশ্বে তেলের প্রবাহের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রভাব রয়েছে। এটি চীনকে দুর্বল অবস্থায় ফেলতে পারে। এ ছাড়া সমর্থকদের দাবি, এতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির প্রভাব আরো স্পষ্ট হবে।

একই সঙ্গে এটি দেখাবে যে চীন তার মিত্র দেশগুলোকে রক্ষা করতে অনিচ্ছুক বা অক্ষম। ফলে বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধ ক্ষমতা বা প্রভাব আরো বাড়তে পারে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাস পরেও এই যুক্তিগুলো ভ্রান্ত ও বেপরোয়া আত্মবিশ্বাস বলেই মনে হচ্ছে। বিশেষ করে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি ঠিক এমনভাবেই দেখা হচ্ছে। দ্য ইকোনমিস্ট চীনে কূটনীতিক, উপদেষ্টা, পণ্ডিত, বিশেষজ্ঞ এবং বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছে।

তাদের প্রায় সকলেই এই যুদ্ধকে আমেরিকার একটি গুরুতর ভুল হিসেবেই দেখছেন। তারা বলেচেন, চীন আপাতত একপাশে সরে দাঁড়িয়ে আছে। কারণ দেশটির নেতারা নেপোলিয়ন বোনাপার্টের একটি বিখ্যাত উক্তির অর্থ ভালোভাবেই বোঝেন। কথিত আছে, অস্টারলিৎজের যুদ্ধে শত্রুরা যখন উঁচু অবস্থান ছেড়ে নিচে নেমে আসছিল, তখন নেপোলিয়ন বলেছিলেন, ‘শত্রু যখন ভুল করছে, তখন তাকে বাধা দিও না।উল্লেখ্য, ‘দ্য ইকোনমিস্টএকটি লন্ডনভিত্তিক প্রভাবশালী সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন। যা রাজনীতি, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয় বিশ্লেষণের জন্য পরিচিত।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়োজনে আমরা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত: জামায়াতে আমির

শত্রু যখন ভুল করে, তখন তাকে বাধা দিও না: দ্য ইকোনমিস্ট

আপডেট সময় ১১:২৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

এবার ব্রিটিশ ম্যাগাজিনদ্য ইকোনমিস্ট’-এর নতুন সংখ্যায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের নিয়ে একটি আলোচিত প্রচ্ছদ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি রয়েছে। প্রচ্ছদে ইঙ্গিত করা হয়েছে, ইরান বিষয়ে ট্রাম্পের ভুল সিদ্ধান্ত চীনের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে। ম্যাগাজিনটির প্রচ্ছদে লেখা আছে, ‘শত্রু যখন ভুল করে, তখন তাকে বাধা দিও না।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ বড় একটি কৌশলগত ভুল হতে পারে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারে চীন।দ্য ইকোনমিস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার উদ্দেশ্য দেশটির শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি থামিয়ে দেওয়া। এমনটাই মনে করেন এই যুদ্ধের সমর্থকেরা। সবচেয়ে কট্টর সমর্থকদের মতে, এই যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে এবং চীনের ওপরও চাপ তৈরি হবে। কারণ বিশ্বে তেলের প্রবাহের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রভাব রয়েছে। এটি চীনকে দুর্বল অবস্থায় ফেলতে পারে। এ ছাড়া সমর্থকদের দাবি, এতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির প্রভাব আরো স্পষ্ট হবে।

একই সঙ্গে এটি দেখাবে যে চীন তার মিত্র দেশগুলোকে রক্ষা করতে অনিচ্ছুক বা অক্ষম। ফলে বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরোধ ক্ষমতা বা প্রভাব আরো বাড়তে পারে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক মাস পরেও এই যুক্তিগুলো ভ্রান্ত ও বেপরোয়া আত্মবিশ্বাস বলেই মনে হচ্ছে। বিশেষ করে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি ঠিক এমনভাবেই দেখা হচ্ছে। দ্য ইকোনমিস্ট চীনে কূটনীতিক, উপদেষ্টা, পণ্ডিত, বিশেষজ্ঞ এবং বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছে।

তাদের প্রায় সকলেই এই যুদ্ধকে আমেরিকার একটি গুরুতর ভুল হিসেবেই দেখছেন। তারা বলেচেন, চীন আপাতত একপাশে সরে দাঁড়িয়ে আছে। কারণ দেশটির নেতারা নেপোলিয়ন বোনাপার্টের একটি বিখ্যাত উক্তির অর্থ ভালোভাবেই বোঝেন। কথিত আছে, অস্টারলিৎজের যুদ্ধে শত্রুরা যখন উঁচু অবস্থান ছেড়ে নিচে নেমে আসছিল, তখন নেপোলিয়ন বলেছিলেন, ‘শত্রু যখন ভুল করছে, তখন তাকে বাধা দিও না।উল্লেখ্য, ‘দ্য ইকোনমিস্টএকটি লন্ডনভিত্তিক প্রভাবশালী সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন। যা রাজনীতি, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয় বিশ্লেষণের জন্য পরিচিত।