ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে শেষ চেষ্টা হিসেবে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এমন দাবি করেছেন সৌদি বিশ্লেষক আবদুল আজিজ আলঘাশিয়ান।
কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের এই ফেলো বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি বাস্তবে কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।’
তার মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য নতুন সংঘাত ঠেকানোর লক্ষ্যেই সৌদি আরব এই উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব একই সঙ্গে পুরো অঞ্চলের কাছে এই বার্তা দিতে চেয়েছে যে, তারা পরিস্থিতির আরও অবনতি নয়, বরং উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষে।’
আলঘাশিয়ানের ভাষ্য মতে, সৌদি নেতৃত্ব হয়তো মনে করে যে উত্তেজনা আবারও বাড়তে পারে।
তবে তারা সেই পরিস্থিতিতে ‘ব্রেক বা ইতি’ টানতে চায়, যাতে নিজেদের নিরাপত্তা এবং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
তিনি আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থান যে প্রায়ই পরিবর্তিত হয়, সে বিষয়ে সৌদি আরব অবগত। তবু তার ব্যক্তিগত মনোভাবকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করার লক্ষ্যেই সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানকে হোয়াইট হাউসে পাঠানো হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















