ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কালবৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির ওপর গাছ পড়ে ঘুমন্ত মা-মেয়েসহ নিহত ৩ কালবৈশাখী ঝড়ে দোকানে উপড়ে পড়ল বিশাল গাছ, প্রাণ গেল ঘুমন্ত ব্যবসায়ীর সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আগাম জামিন চাইলেন এমপি আমির হামজা রাজনীতিতে কাউকে নির্মূল করা সম্ভব না, আওয়ামী লীগকেও না: মনোনয়ন বঞ্চিত পাপিয়া ইরান যুদ্ধ বন্ধে এবার চীনের দ্বারস্থ ট্রাম্প এই সরকারের মেয়াদেই বাংলাদেশ হবে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশ জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার পাকিস্তানের নিজস্ব প্রযুক্তির ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ চট্টগ্রামে যুবদল কর্মীকে গুলি

‘কোনো স্বৈরাচারকে মিথ্যার ওপর পিএইচডি করতে হলে শেখ হাসিনার কাছে শিখতে হবে’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৫৮ বার পড়া হয়েছে

এবার শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে গুম-খুন-চাদাবাজি ও টাকা পাচারের রাজনৈতিক সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছিলো বিগত সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী মামলার সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আজ রোববার (৩ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের সামনে সূচনা বক্তব্য শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেন অ্যাটর্নি জেনারেল একথা বলেন। সূচনা বক্তব্য শুরুর আগে ট্রাইব্যুনালের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ব্যক্তি নয় অপরাধই মূখ্য। ব্যক্তি যেই হোক সে অপরাধ করলে তার বিচার করার জন্য আমরা সংকল্পবদ্ধ। যে কারণে আমরা বিচার চাই। আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। পৃথিবীর ইতিহাসে শেখ হাসিনার মত কোনো স্বৈরাচারের জন্ম হয়নি। তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মিথ্যাবাদী স্বৈরাচার।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, কোনো স্বৈরাচারকে মিথ্যার ওপর পিএইচডি করতে হলে শেখ হাসিনার কাছে শিখতে হবে। পৃথিবীর সব স্বৈরশাসকের যদি কোনো সমিতি করা হয়, শেখ হাসিনা হবেন তার সভাপতি। বাংলাদেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে স্বৈরাচার ও তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ শাস্তি আমরা চাই। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এই বিচার একটি মানদণ্ড হয়ে থাকবে। আমরা চাই শেখ হাসিবার বিরুদ্ধে যাতে কোনো ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ এর মাধ্যমে বিচার না হয়।

এসময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বিচার পরিচালিত হবে। বলেন, শেখ হাসিনার বিচার অতীতের হিসাব মেটানো নয়, এটি বিচার ব্যবস্থায় জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপনের একটি প্রক্রিয়া। আজ ‘রাজসাক্ষী’ হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আনা হয় ট্রাইব্যুনালে। সাক্ষ্য দিচ্ছেন জুলাই আন্দোলনের আহতরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কালবৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির ওপর গাছ পড়ে ঘুমন্ত মা-মেয়েসহ নিহত ৩

‘কোনো স্বৈরাচারকে মিথ্যার ওপর পিএইচডি করতে হলে শেখ হাসিনার কাছে শিখতে হবে’

আপডেট সময় ০২:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

এবার শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে গুম-খুন-চাদাবাজি ও টাকা পাচারের রাজনৈতিক সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছিলো বিগত সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী মামলার সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

আজ রোববার (৩ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের সামনে সূচনা বক্তব্য শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেন অ্যাটর্নি জেনারেল একথা বলেন। সূচনা বক্তব্য শুরুর আগে ট্রাইব্যুনালের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ব্যক্তি নয় অপরাধই মূখ্য। ব্যক্তি যেই হোক সে অপরাধ করলে তার বিচার করার জন্য আমরা সংকল্পবদ্ধ। যে কারণে আমরা বিচার চাই। আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। পৃথিবীর ইতিহাসে শেখ হাসিনার মত কোনো স্বৈরাচারের জন্ম হয়নি। তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মিথ্যাবাদী স্বৈরাচার।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, কোনো স্বৈরাচারকে মিথ্যার ওপর পিএইচডি করতে হলে শেখ হাসিনার কাছে শিখতে হবে। পৃথিবীর সব স্বৈরশাসকের যদি কোনো সমিতি করা হয়, শেখ হাসিনা হবেন তার সভাপতি। বাংলাদেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে স্বৈরাচার ও তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ শাস্তি আমরা চাই। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এই বিচার একটি মানদণ্ড হয়ে থাকবে। আমরা চাই শেখ হাসিবার বিরুদ্ধে যাতে কোনো ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ এর মাধ্যমে বিচার না হয়।

এসময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বিচার পরিচালিত হবে। বলেন, শেখ হাসিনার বিচার অতীতের হিসাব মেটানো নয়, এটি বিচার ব্যবস্থায় জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপনের একটি প্রক্রিয়া। আজ ‘রাজসাক্ষী’ হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আনা হয় ট্রাইব্যুনালে। সাক্ষ্য দিচ্ছেন জুলাই আন্দোলনের আহতরা।