ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নওগাঁ সীমান্তে গভীর রাতে ১৭ জনকে পুশইন, মুখোমুখি বিজিবি-বিএসএফ সাতক্ষীরায় আ.লীগ-বিএনপি-জামায়াত’র ত্রিমুখী সংঘর্ষ হাদি হত্যা মামলা: বাদী নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন বোন মাসুমা সাহারায় তৃষ্ণায় প্রাণ গেল ৪৯ জনের, বিকল ট্রাকে আটকা ছিলেন যাত্রীরা দ্রুত হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিল ৩ কোটি টাকার ‘ডিল’ অভিযোগের জেরে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ ‘রাজপথ ছাড়ব না’, নোয়াখালী সমাবেশে ছাত্রলীগ নেতার হুঁশিয়ারি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে চট্টগ্রামে যুবলীগের বিক্ষোভ, ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শনাক্তে পুলিশের অভিযান বলের মধ্যেই নজরদারি, ধরা পড়বে অফসাইড – ২০২৬ বিশ্বকাপে

আদালতে তোলা হয়েছে বৈষম্যবিরোধী নেতা মাহদী হাসানকে 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

এবার থানায় বসে পুলিশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানকে আদালতে তোলা হয়েছে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে হবিগঞ্জ সদর থানা থেকে জামিন শুনানির জন্য চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। এর আগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে আটক করা হয়। তাকে আটকের খবরে রাত সাড়ে ৭টা থেকে শতাধিক নেতাকর্মী থানার সামনে অবস্থান নেন। বিক্ষোভ হয় ঢাকার শাহবাগেও।

সম্প্রতি শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসির কক্ষে মাহদী হাসানের একটি কথোপকথনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে তাকে ওসির উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। এই জায়গায় আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আপনারা আমাদের ছেলেদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছেন। আবার আমাদের সঙ্গে বার্গেনিং করছেন। আপনি (ওসি) বলেছেন, আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে?”

একপর্যায়ে মাহদী হাসান বলেন, “বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম। ওই জায়গা থেকে উনি (ওসি) কোন সাহসে এটা (আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে) বললেন। আমি স্ট্রিক্টলি এখানে আসছি। আমরা এতগুলা ছেলে ভাইসা আসছি নাকি?” এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, মূলত নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে ছাড়িয়ে নিতে শুক্রবার শায়েস্তাগঞ্জ থানা ঘেরাওয়ের সময় ওসির সাথে এই বাগবিতণ্ডা হয়। খবর পেয়ে বিকাল ৩টার দিকে হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম শায়েস্তাগঞ্জ থানায় যান। তার মধ্যস্থতায় বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে এনামুল হাসানকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এদিকে মাহদী হাসান হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র। তাকে ঠিক কোন মামলায় আটক দেখানো হয়েছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানায়নি পুলিশ। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) ইয়াছমিন খাতুন জানান, মাহদীকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত পরে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁ সীমান্তে গভীর রাতে ১৭ জনকে পুশইন, মুখোমুখি বিজিবি-বিএসএফ

আদালতে তোলা হয়েছে বৈষম্যবিরোধী নেতা মাহদী হাসানকে 

আপডেট সময় ১০:২২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

এবার থানায় বসে পুলিশ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানকে আদালতে তোলা হয়েছে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাকে হবিগঞ্জ সদর থানা থেকে জামিন শুনানির জন্য চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। এর আগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে আটক করা হয়। তাকে আটকের খবরে রাত সাড়ে ৭টা থেকে শতাধিক নেতাকর্মী থানার সামনে অবস্থান নেন। বিক্ষোভ হয় ঢাকার শাহবাগেও।

সম্প্রতি শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসির কক্ষে মাহদী হাসানের একটি কথোপকথনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে তাকে ওসির উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। এই জায়গায় আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আপনারা আমাদের ছেলেদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছেন। আবার আমাদের সঙ্গে বার্গেনিং করছেন। আপনি (ওসি) বলেছেন, আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে?”

একপর্যায়ে মাহদী হাসান বলেন, “বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম। ওই জায়গা থেকে উনি (ওসি) কোন সাহসে এটা (আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে) বললেন। আমি স্ট্রিক্টলি এখানে আসছি। আমরা এতগুলা ছেলে ভাইসা আসছি নাকি?” এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, মূলত নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে ছাড়িয়ে নিতে শুক্রবার শায়েস্তাগঞ্জ থানা ঘেরাওয়ের সময় ওসির সাথে এই বাগবিতণ্ডা হয়। খবর পেয়ে বিকাল ৩টার দিকে হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম শায়েস্তাগঞ্জ থানায় যান। তার মধ্যস্থতায় বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে এনামুল হাসানকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এদিকে মাহদী হাসান হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র। তাকে ঠিক কোন মামলায় আটক দেখানো হয়েছে, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানায়নি পুলিশ। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) ইয়াছমিন খাতুন জানান, মাহদীকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত পরে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।