ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৫২ জন কারাগারে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতার মাদরাসায় মিলল ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ বন্ধ হয়ে গেল বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না: নাহিদ ইসলাম ইরানের পরমাণু ইস্যুর চেয়ে তেলের দাম কম রাখাই এখন ‘টপ প্রায়োরিটি’: ভ্যান্স স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলে ঠিকাদার নয়, ফাইন্যান্সসিয়াল কনসালট্যান্ট: রাশেদ খাঁন নির্বাচিত সরকার আসার পর থেকেই দেশে বাবা-মায়ের দোয়া কমিটি হচ্ছে: নাহিদ সরকারের ১৮০ দিনের পারফরম্যান্স আশাজাগানিয়া নয়: ইসলামী আন্দোলন ভারতের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবে এগিয়ে পাকিস্তানিরা, পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও আগামী সপ্তাহে ভারত যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশ ভারতে খেলতে না গেলে আইসিসির সামনে কঠিন ৩ পথ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০১৫৬ বার পড়া হয়েছে

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসন্ন আসর শুরুর আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তৈরি হয়েছে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে উদ্ভূত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জটিলতা এখন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টেও সরাসরি প্রভাব ফেলছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই পড়েছে ভারতের ভেন্যুতে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব ম্যাচ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবি তাদের এই অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)কেও জানিয়েছে। ফলে এখন পুরো ক্রিকেট বিশ্ব তাকিয়ে রয়েছে আইসিসির সিদ্ধান্তের দিকে। ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সংকট সমাধানে আইসিসির সামনে অন্তত তিনটি ভিন্ন পথ খোলা রয়েছে।
প্রথম পথ অনুযায়ী, আইসিসি চাইলে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করতে পারে। এতে টুর্নামেন্টের মূল কাঠামো অক্ষুণ্ন থাকবে এবং সূচিতেও বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়বে না। সবমিলিয়ে বিতর্কটি লজিস্টিক সীমার মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
দ্বিতীয় সম্ভাবনায়, আইসিসি যদি ভেন্যু পরিবর্তনে রাজি না হয় এবং বাংলাদেশ দলও ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচগুলো প্রতিপক্ষ দলের অনুকূলে অ্যাওয়ার্ড হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
আর সবচেয়ে চরম পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ যদি পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে আইসিসির সামনে দাঁড়াবে আরও বড় চ্যালেঞ্জ। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ফরফিট হিসেবে গণ্য করা হবে, নাকি শেষ মুহূর্তে নতুন কোনো দলকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে—এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে আইসিসিকেই।
উল্লেখ্য, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিকল্প দল বাছাইয়ের জন্য আইসিসির কোনো স্বয়ংক্রিয় রিজার্ভ তালিকা নেই। ফলে প্রতিস্থাপনের বিষয়টি পুরোপুরি আইসিসির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডের নাম আলোচনায় থাকলেও ইউরোপ অঞ্চল থেকে নেদারল্যান্ডস ও ইতালি ইতোমধ্যে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করায় যোগ্যতার প্রশ্নে জার্সিও বিবেচনায় আসতে পারে।
সবমিলিয়ে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি আইসিসির শাসনব্যবস্থার জন্য এক বড় পরীক্ষাই বলা যায়। আপাতত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বাংলাদেশসহ পুরো ক্রিকেট বিশ্ব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৫২ জন কারাগারে

বাংলাদেশ ভারতে খেলতে না গেলে আইসিসির সামনে কঠিন ৩ পথ

আপডেট সময় ০৮:২৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসন্ন আসর শুরুর আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তৈরি হয়েছে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে উদ্ভূত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জটিলতা এখন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টেও সরাসরি প্রভাব ফেলছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই পড়েছে ভারতের ভেন্যুতে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব ম্যাচ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবি তাদের এই অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)কেও জানিয়েছে। ফলে এখন পুরো ক্রিকেট বিশ্ব তাকিয়ে রয়েছে আইসিসির সিদ্ধান্তের দিকে। ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সংকট সমাধানে আইসিসির সামনে অন্তত তিনটি ভিন্ন পথ খোলা রয়েছে।
প্রথম পথ অনুযায়ী, আইসিসি চাইলে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করতে পারে। এতে টুর্নামেন্টের মূল কাঠামো অক্ষুণ্ন থাকবে এবং সূচিতেও বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়বে না। সবমিলিয়ে বিতর্কটি লজিস্টিক সীমার মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
দ্বিতীয় সম্ভাবনায়, আইসিসি যদি ভেন্যু পরিবর্তনে রাজি না হয় এবং বাংলাদেশ দলও ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচগুলো প্রতিপক্ষ দলের অনুকূলে অ্যাওয়ার্ড হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
আর সবচেয়ে চরম পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ যদি পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে আইসিসির সামনে দাঁড়াবে আরও বড় চ্যালেঞ্জ। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ফরফিট হিসেবে গণ্য করা হবে, নাকি শেষ মুহূর্তে নতুন কোনো দলকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে—এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে আইসিসিকেই।
উল্লেখ্য, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিকল্প দল বাছাইয়ের জন্য আইসিসির কোনো স্বয়ংক্রিয় রিজার্ভ তালিকা নেই। ফলে প্রতিস্থাপনের বিষয়টি পুরোপুরি আইসিসির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডের নাম আলোচনায় থাকলেও ইউরোপ অঞ্চল থেকে নেদারল্যান্ডস ও ইতালি ইতোমধ্যে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করায় যোগ্যতার প্রশ্নে জার্সিও বিবেচনায় আসতে পারে।
সবমিলিয়ে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি আইসিসির শাসনব্যবস্থার জন্য এক বড় পরীক্ষাই বলা যায়। আপাতত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বাংলাদেশসহ পুরো ক্রিকেট বিশ্ব।