ঢাকা , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না, সাফ জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহস থাকলে ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠিয়ে দেখাক: আইআরজিসি যুদ্ধের ভালো খবর দেখাও, নয়তো লাইসেন্স বাতিল: ট্রাম্প প্রশাসনের হুমকি শক্তিশালী ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করল ইরান ইরান যুদ্ধে সহায়তা না করলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ট্রাম্প দুবাই ও দোহা’র কিছু জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বলল ইরান জাপানের মিতসুইয়ের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্বে স্বপ্ন হাদি হত্যার বিচার বিলম্বের কারণ জানালেন আসিফ নজরুল

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের দিকে ৪০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৫২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

এবার মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের পঞ্চম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুগুলো লক্ষ্য করে অন্তত ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)বুধবার (৪ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। অপারেশনঅনেস্ট প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। গত শনিবার সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের পক্ষ থেকে এটি অন্যতম বৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, যা এই অঞ্চলে চলমান উত্তেজনাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, কয়েক ঘণ্টা আগে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের মাধ্যমে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়, যা ছিলঅপারেশন অনেস্ট প্রমিজ ৪’-এর ১৭তম ধাপের অভিযান। এসব ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আমেরিকান ও জায়নবাদী বা ইসরায়েলি সামরিক অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। যদিও এই হামলার ফলে নির্দিষ্ট কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কোন কোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে, সে সম্পর্কে তেহরানের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ঘোষণায় এই অভিযানকে ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে সক্ষম এবং এবারের হামলাটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত আক্রমণের মুখে ইরান যেভাবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে, তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে পুনরায় সতর্ক করে দিয়েছে যে, ইরানি ভূখণ্ড বা স্বার্থে আঘাত হানা হলে তার জবাব দেওয়া হবে আরও কঠোরভাবে।

বর্তমানে ইরাক, সিরিয়া এবং লোহিত সাগর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ওয়াশিংটন বা তেল আবিবের পক্ষ থেকে এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে আঞ্চলিক গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, বুধবার ভোরের এই হামলার পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। যুদ্ধের পঞ্চম দিনে এসেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, বরং ইরানের এই ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের দিকে ৪০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

আপডেট সময় ০২:৫২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

এবার মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের পঞ্চম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুগুলো লক্ষ্য করে অন্তত ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)বুধবার (৪ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। অপারেশনঅনেস্ট প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। গত শনিবার সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের পক্ষ থেকে এটি অন্যতম বৃহৎ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, যা এই অঞ্চলে চলমান উত্তেজনাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, কয়েক ঘণ্টা আগে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের মাধ্যমে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়, যা ছিলঅপারেশন অনেস্ট প্রমিজ ৪’-এর ১৭তম ধাপের অভিযান। এসব ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আমেরিকান ও জায়নবাদী বা ইসরায়েলি সামরিক অবস্থানগুলো লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। যদিও এই হামলার ফলে নির্দিষ্ট কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কোন কোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে, সে সম্পর্কে তেহরানের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ঘোষণায় এই অভিযানকে ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে সক্ষম এবং এবারের হামলাটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত আক্রমণের মুখে ইরান যেভাবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে, তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে পুনরায় সতর্ক করে দিয়েছে যে, ইরানি ভূখণ্ড বা স্বার্থে আঘাত হানা হলে তার জবাব দেওয়া হবে আরও কঠোরভাবে।

বর্তমানে ইরাক, সিরিয়া এবং লোহিত সাগর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ওয়াশিংটন বা তেল আবিবের পক্ষ থেকে এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে আঞ্চলিক গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, বুধবার ভোরের এই হামলার পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। যুদ্ধের পঞ্চম দিনে এসেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, বরং ইরানের এই ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান