ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় যেতে যতো আসন দরকার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন করবে: শুভেন্দু অধিকারী মবের জননী রিজওয়ানা: আনিস আলমগীর আমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হলো: মাহমুদা মিতু পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিজেপি এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির আগে বায়তুল মালের চাঁদা প্রদান নাকি বউয়ের চিকিৎসা?: জামায়াত এমপি মাসুদকে রাশেদ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বোনাস থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে গণনায় নাটকীয় মোড়: ভবানীপুরে ঘুরে দাঁড়ালেন মমতা, পিছিয়ে শুভেন্দু জাকাত নিয়ে তাচ্ছিল্য করায় এমপি মনিকে ক্ষমা চাইতে হবে: ইসলামী আন্দোলন

গণনায় নাটকীয় মোড়: ভবানীপুরে ঘুরে দাঁড়ালেন মমতা, পিছিয়ে শুভেন্দু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনায় শুরুতে পিছিয়ে থাকলেও সময় এগোনোর সাথে সাথে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছেন। তবে রাজ্যজুড়ে প্রাথমিক ফলাফলে এখনও এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনায় ভবানীপুর আসনে আগের অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুরুতে পিছিয়ে থাকলেও পরে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ এই নেত্রী। যদিও সার্বিক চিত্রে তার দল তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে, তবুও ভবানীপুরে এই লড়াইয়ে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীকে টপকে গেছেন।

ভবানীপুরে প্রথম রাউন্ড ভোটগণনা শেষে ১ হাজার ৯৯৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম রাউন্ডে শুভেন্দু পেয়েছেন ১ হাজার ৬৭০ ভোট। অন্যদিকে মমতা পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৬ ভোট। গত নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রাম আসনে দুই হাজারেরও কম ভোটে পরাজিত করেছিলেন। এর ফলে তৃণমূল নেত্রীকে নিজের বিধানসভা আসন ধরে রাখতে ভবানীপুর থেকে উপনির্বাচনে লড়তে হয়েছিল। এই নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই আসন থেকেই লড়ছেন এবং বর্তমানে নন্দীগ্রাম আসনে এগিয়ে আছেন।

কলকাতা জেলার অন্তর্ভুক্ত ভবানীপুর আসনটি ২০১১ সাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ওই বছর সুব্রত বক্সী আসনটি জিতেছিলেন। এর আগে চার দফা নির্বাচন পর্যন্ত এটি ছিল কালিঘাট আসন। সেসময় চারটির মধ্যে তিনবার জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। ২০১১ সালেই উপনির্বাচনের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুব্রত বক্সীর জায়গায় বিধায়ক হন। সেই উপনির্বাচনের মাধ্যমে তিনি বিধানসভার সদস্য হয়ে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ধরে রাখেন। এদিকে সার্বিক চিত্রে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা অতিক্রম করেছে। ফলে প্রথমবারের মতো রাজ্যে সরকার গঠনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে দলটি। আর এটি তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, এই সময় পর্যন্ত বিজেপি ১৬৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১১৬টিতে এবং ২০২১ সালে ভরাডুবির মুখে পড়া কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে দুটি আসনে। প্রসঙ্গত, ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৪৮ আসন। এক্সিট পোলগুলোতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস থাকলেও বেশিরভাগ জরিপে বিজেপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছে। তবে পিপলস পালস ও জনমতএই দুটি সংস্থা মমতার দল জয় পেতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৯৪টির মধ্যে ২১৫টি আসনে জয় পেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টানা তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় যেতে যতো আসন দরকার

গণনায় নাটকীয় মোড়: ভবানীপুরে ঘুরে দাঁড়ালেন মমতা, পিছিয়ে শুভেন্দু

আপডেট সময় ১১:২৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

এবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনায় শুরুতে পিছিয়ে থাকলেও সময় এগোনোর সাথে সাথে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছেন। তবে রাজ্যজুড়ে প্রাথমিক ফলাফলে এখনও এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনায় ভবানীপুর আসনে আগের অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুরুতে পিছিয়ে থাকলেও পরে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ এই নেত্রী। যদিও সার্বিক চিত্রে তার দল তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে, তবুও ভবানীপুরে এই লড়াইয়ে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীকে টপকে গেছেন।

ভবানীপুরে প্রথম রাউন্ড ভোটগণনা শেষে ১ হাজার ৯৯৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম রাউন্ডে শুভেন্দু পেয়েছেন ১ হাজার ৬৭০ ভোট। অন্যদিকে মমতা পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৬ ভোট। গত নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রাম আসনে দুই হাজারেরও কম ভোটে পরাজিত করেছিলেন। এর ফলে তৃণমূল নেত্রীকে নিজের বিধানসভা আসন ধরে রাখতে ভবানীপুর থেকে উপনির্বাচনে লড়তে হয়েছিল। এই নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই আসন থেকেই লড়ছেন এবং বর্তমানে নন্দীগ্রাম আসনে এগিয়ে আছেন।

কলকাতা জেলার অন্তর্ভুক্ত ভবানীপুর আসনটি ২০১১ সাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ওই বছর সুব্রত বক্সী আসনটি জিতেছিলেন। এর আগে চার দফা নির্বাচন পর্যন্ত এটি ছিল কালিঘাট আসন। সেসময় চারটির মধ্যে তিনবার জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। ২০১১ সালেই উপনির্বাচনের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুব্রত বক্সীর জায়গায় বিধায়ক হন। সেই উপনির্বাচনের মাধ্যমে তিনি বিধানসভার সদস্য হয়ে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ধরে রাখেন। এদিকে সার্বিক চিত্রে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা অতিক্রম করেছে। ফলে প্রথমবারের মতো রাজ্যে সরকার গঠনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে দলটি। আর এটি তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, এই সময় পর্যন্ত বিজেপি ১৬৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ১১৬টিতে এবং ২০২১ সালে ভরাডুবির মুখে পড়া কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে দুটি আসনে। প্রসঙ্গত, ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৪৮ আসন। এক্সিট পোলগুলোতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস থাকলেও বেশিরভাগ জরিপে বিজেপিকে এগিয়ে রাখা হয়েছে। তবে পিপলস পালস ও জনমতএই দুটি সংস্থা মমতার দল জয় পেতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৯৪টির মধ্যে ২১৫টি আসনে জয় পেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টানা তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হন।