জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনার পর রাজধানীর বকশীবাজারে সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার সামনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে আলিয়া মাদ্রাসার সামনে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় সড়কে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে, যা সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকে।
এর আগে সকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় অন্তত ৫০ জন আহত হন।
সেই ঘটনার পর থেকেই আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দুপুর ৩টার দিকে প্রথম দফায় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও বিকেলে আবার সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
আলিয়া মাদ্রাসা শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুল আলিম অভিযোগ করেন, দুপুরে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হলে প্রবেশ করে শিবিরের সদস্যদের মারধর এবং কয়েকটি কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন। পরে শিবিরের নেতা-কর্মীরা তাদের হল থেকে বের করে দিলে ছাত্রদল পুনরায় দলবল নিয়ে এসে হামলা চালায়। এতে শিবিরের প্রায় ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, আলিয়া মাদ্রাসা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী সাদ চৌধুরীর দাবি, গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে শিবিরের নেতা-কর্মীরা হলের কয়েকটি কক্ষ দখলে রেখেছেন। সোমবার রাতে সেখানে বহিরাগতদেরও রাখা হয়। মঙ্গলবার শিবির ছাত্রদলের একটি কক্ষে তালা দিলে পাল্টা কয়েকটি কক্ষে তালা লাগায় ছাত্রদল। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। তার দাবি, এ ঘটনায় ছাত্রদল ও যুবদলের অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন।
ছাত্রদলের সঙ্গে স্থানীয় যুবদল ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের যোগ দিতে দেখা গেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















