ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিক্ষামন্ত্রীর সামনে অভিনব কায়দায় প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে দাবি তুলে ধরলো জবি ছাত্রশক্তি আওয়ামীলীগ একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল, সেখান থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি : শিক্ষামন্ত্রী ইরান-লেবাননকে মানবিক সহায়তা দেবে চীন গোসলে নেমে আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল নিয়ে ৩ বন্ধুর তর্ক, একজনকে চুবিয়ে হত্যা ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই: মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ সিগারেট-মদের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মিছিল দেখে ‘ভাষা হারিয়েছেন’ আইনমন্ত্রী মোদিকে দেখেই মেলোনির হাস্যরস, ‘আমরাই সবচেয়ে বিখ্যাত কাপল’ জনগণের টাকা পাচার হতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ইরানের খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে তাদের ড্রেসিংরুমে যান ফিফা প্রধান

চিকিৎসা নিতে পারছেন না ওবায়দুল কাদের, বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিবারের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৫২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮৮১১ বার পড়া হয়েছে

কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে থাকা বাংলাদেশ থেকে পলাতক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে কোনো ধরনের চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে কলকাতার নিজ বাসায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বাসায় চিকিৎসক, লাইফ সাপোর্ট ও প্রয়োজনীয় মেডিকেল ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে তার চিকিৎসা চলবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া ওবায়দুল কাদের গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে কলকাতার ইএম বাইপাসের কাছে অবস্থিত অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। সে সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, চিকিৎসায় সামান্য সাড়া মিললেও তার অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটজনক।
বার্ধক্যজনিত একাধিক রোগে ভুগে দীর্ঘদিন ধরেই শয্যাশায়ী ছিলেন ওবায়দুল কাদের। বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, হাসপাতালে ভর্তির আগেও কলকাতার নিউ টাউনের বাসায় তিনি অক্সিজেন সাপোর্টে ছিলেন।
এর আগে গত জুনে এক সাক্ষাৎকারে ওবায়দুল কাদের জানান, তিনি এখনও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সে সময় কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। তিনি দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর তিন মাস আত্মগোপনে থেকে একাধিকবার বাসা বদল করেন এবং পরে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দেশ ছাড়েন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দমননীতির জন্য ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, দেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পরিবেশ তৈরি হলে তখন ক্ষমা চাওয়া, ভুল স্বীকার বা অনুশোচনার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এবং নোয়াখালী-৫ আসন থেকে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষামন্ত্রীর সামনে অভিনব কায়দায় প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে দাবি তুলে ধরলো জবি ছাত্রশক্তি

চিকিৎসা নিতে পারছেন না ওবায়দুল কাদের, বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত পরিবারের

আপডেট সময় ০৭:৫২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে থাকা বাংলাদেশ থেকে পলাতক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে কোনো ধরনের চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে কলকাতার নিজ বাসায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বাসায় চিকিৎসক, লাইফ সাপোর্ট ও প্রয়োজনীয় মেডিকেল ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে তার চিকিৎসা চলবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া ওবায়দুল কাদের গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে কলকাতার ইএম বাইপাসের কাছে অবস্থিত অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। সে সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, চিকিৎসায় সামান্য সাড়া মিললেও তার অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটজনক।
বার্ধক্যজনিত একাধিক রোগে ভুগে দীর্ঘদিন ধরেই শয্যাশায়ী ছিলেন ওবায়দুল কাদের। বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, হাসপাতালে ভর্তির আগেও কলকাতার নিউ টাউনের বাসায় তিনি অক্সিজেন সাপোর্টে ছিলেন।
এর আগে গত জুনে এক সাক্ষাৎকারে ওবায়দুল কাদের জানান, তিনি এখনও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সে সময় কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। তিনি দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর তিন মাস আত্মগোপনে থেকে একাধিকবার বাসা বদল করেন এবং পরে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দেশ ছাড়েন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দমননীতির জন্য ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, দেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পরিবেশ তৈরি হলে তখন ক্ষমা চাওয়া, ভুল স্বীকার বা অনুশোচনার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এবং নোয়াখালী-৫ আসন থেকে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।