ঢাকা , সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের সামরিক নীতি আক্রমণাত্মক করার ঘোষণা আইআরজিসির জিম্বাবুয়েতে ফেরিডুবি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ জনে  কাল থেকে রাজধানীতে চলবে বিআরটিসির ‘মহিলা বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী অসুস্থ সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, পা অবশ হওয়ায় চলাফেরা সীমিত ৯০০ কর্মী ছাঁটাই করা সিইও এবার নিজেই হারালেন চাকরি মসজিদ রক্ষায় লড়েছিলেন এক পায়ে, সেই নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি প্রতিটি মার্কিন সেনাকে হত্যা বা আটক করলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার: ইরানের সেনাপ্রধান গাজায় প্রতি রাতে ৩০-৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করতে বললেন ইসরায়েলি মন্ত্রী হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে আদালতে যাচ্ছে ভারত ইরান যুদ্ধে যোগ না দেয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া কমানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

সাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল- শিবির সংঘর্ষ, আহত শতাধিক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীজুড়ে একের পর এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে ঢাকা কলেজ, আলিয়া মাদ্রাসা, কবি নজরুল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট—দিনভর দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাসগুলো। বিভিন্ন পক্ষের দাবি অনুযায়ী, এসব ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশকে কেন্দ্র করে জকসু, জাতীয় ছাত্রশক্তি, ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন, শহীদ মিনার ও ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতাল এলাকায় কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে বিভিন্ন পক্ষের দাবি অনুযায়ী বহু শিক্ষার্থী ও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।

এ ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উপাচার্য ড. রইছ উদ্দীন জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঢাকা কলেজ ও সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায়ও ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আলিয়া মাদ্রাসায় আবাসিক হলের সিট নিয়ে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। সংঘর্ষের পর সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

একই দিনে কবি নজরুল সরকারি কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এবং গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটেও সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। বরিশালের বিএম কলেজেও ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ছাত্রশিবিরের কর্মীদের ছাত্রাবাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও আগের দিন ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।

এসব ঘটনার পর ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, জকসু, ডাকসু এবং জামায়াতে ইসলামীসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সামরিক নীতি আক্রমণাত্মক করার ঘোষণা আইআরজিসির

সাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল- শিবির সংঘর্ষ, আহত শতাধিক

আপডেট সময় ১০:৪৩:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীজুড়ে একের পর এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে ঢাকা কলেজ, আলিয়া মাদ্রাসা, কবি নজরুল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট—দিনভর দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাসগুলো। বিভিন্ন পক্ষের দাবি অনুযায়ী, এসব ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশকে কেন্দ্র করে জকসু, জাতীয় ছাত্রশক্তি, ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন, শহীদ মিনার ও ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতাল এলাকায় কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে বিভিন্ন পক্ষের দাবি অনুযায়ী বহু শিক্ষার্থী ও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।

এ ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উপাচার্য ড. রইছ উদ্দীন জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঢাকা কলেজ ও সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায়ও ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আলিয়া মাদ্রাসায় আবাসিক হলের সিট নিয়ে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। সংঘর্ষের পর সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

একই দিনে কবি নজরুল সরকারি কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এবং গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটেও সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে। বরিশালের বিএম কলেজেও ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ছাত্রশিবিরের কর্মীদের ছাত্রাবাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়েও আগের দিন ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।

এসব ঘটনার পর ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, জকসু, ডাকসু এবং জামায়াতে ইসলামীসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে।