ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাড্ডায় বাসা থেকে ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা শিক্ষকের নাম গত ৩ বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে: বিজিএমইএ আবার আগ্রাসন হলে ‘প্রত্যাশার চেয়ে ভয়াবহ’ পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের খাগড়াছড়িতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ‘নতুন কমিটির’ সব নেতার নামে মামলা ফজরের নামাজ পড়েই কৃষকের ধান কাটতে নামেন এমপি এনামুল ‘সংবিধানের কোথায় লেখা আছে জয় বাংলা বলা যাবে না’ এবার অবিবাহিতদের প্রেমের আগ্রহ বাড়াতে টাকা দিচ্ছে জাপান সরকার! এক প্লেট চটপটি, পেটে ঢুকছে ৭ কোটি মলমূত্রের জীবাণু!: গবেষণা ‘সিলটি’ ভাষাকে দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি বাংলাদেশের পতাকাবাহী সব জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডাকসু নির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা বললেন—নিরাপদ ক্যাম্পাসে কাজ করবেন, মাঠে আর যাবেন না

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৪১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান, উদ্বাস্তু, ভবঘুরে ও নেশাগ্রস্তদের উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে তোলপাড়ের মধ্যেই তারকা ডাকসু কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাতে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি আর মাঠে থাকবেন না। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনে নিজের ত্যাগ অব্যাহত রাখছেন, তবে সরাসরি উচ্ছেদ কার্যক্রমে অংশ নেবেন না।

ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র বলেন, তিনি শুরু থেকেই প্রতিরাতে এক বৃদ্ধ মাদকাসক্ত লোকটিকে মেট্রো স্টেশন থেকে তুলে আনতেন; সেই ব্যক্তিটি ক্যাম্পাস ছাড়ে না এবং তার সঙ্গে আরেকজন বয়স্ক মাদকাসক্তও আছেন। তিনি ফিরে দেখিয়েছেন, এমন মানুষগুলো তোলাটা সহজ নয়—তুললে কয়েক পদ এগোয় আর ফিরে আসে—এমন পরিস্থিতিতে লাঠি ছাড়া এবং ভয়ের ভাষা ছাড়া কাজ করা কঠিন।

চাকমা আরও লিখেছেন, তার উদ্দেশ্য ছিল ক্যাম্পাসকে “ভবঘুরে-পাগল-গাঁজাখোর” মুক্ত করা। তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি দুই নারী শিক্ষার্থীকে হ্যারাসমেন্টের শিকার হতে দেখতে পেয়ে তিনি আরও সচেতন হয়েছেন। কিন্তু নিয়মিত বিতর্ক ও ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব পড়ায় তিনি আর রাতে প্রক্টোরিয়াল টিমের সঙ্গে পাহারা দিয়ে সরাসরি উচ্ছেদে যোগ দেবেন না—যদিও এটাও জানান যে এমন উদ্যোগ তার দায়িত্বের বাইরে নয়।

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে তিনজন মাদকাসেবীকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে তা নিয়েও তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা হয়েছিল; মাঠে কাজ করা মানুষই জানে কখন লাঠি নেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। সর্ব মিত্র জানিয়েছেন—একজন সদস্য হিসেবে তিনি নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ার কাজে অবদান রাখবেন, তবে ভবিষ্যতে সরাসরি মাঠে আর থাকবেন না। তিনি নিজের পোস্ট শেষে ধন্যবাদ জানিয়েও থাকেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড্ডায় বাসা থেকে ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা শিক্ষকের নাম

ডাকসু নির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা বললেন—নিরাপদ ক্যাম্পাসে কাজ করবেন, মাঠে আর যাবেন না

আপডেট সময় ০৮:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবৈধ দোকান, উদ্বাস্তু, ভবঘুরে ও নেশাগ্রস্তদের উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে তোলপাড়ের মধ্যেই তারকা ডাকসু কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাতে ফেসবুকে ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি আর মাঠে থাকবেন না। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনে নিজের ত্যাগ অব্যাহত রাখছেন, তবে সরাসরি উচ্ছেদ কার্যক্রমে অংশ নেবেন না।

ফেসবুক পোস্টে সর্ব মিত্র বলেন, তিনি শুরু থেকেই প্রতিরাতে এক বৃদ্ধ মাদকাসক্ত লোকটিকে মেট্রো স্টেশন থেকে তুলে আনতেন; সেই ব্যক্তিটি ক্যাম্পাস ছাড়ে না এবং তার সঙ্গে আরেকজন বয়স্ক মাদকাসক্তও আছেন। তিনি ফিরে দেখিয়েছেন, এমন মানুষগুলো তোলাটা সহজ নয়—তুললে কয়েক পদ এগোয় আর ফিরে আসে—এমন পরিস্থিতিতে লাঠি ছাড়া এবং ভয়ের ভাষা ছাড়া কাজ করা কঠিন।

চাকমা আরও লিখেছেন, তার উদ্দেশ্য ছিল ক্যাম্পাসকে “ভবঘুরে-পাগল-গাঁজাখোর” মুক্ত করা। তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি দুই নারী শিক্ষার্থীকে হ্যারাসমেন্টের শিকার হতে দেখতে পেয়ে তিনি আরও সচেতন হয়েছেন। কিন্তু নিয়মিত বিতর্ক ও ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব পড়ায় তিনি আর রাতে প্রক্টোরিয়াল টিমের সঙ্গে পাহারা দিয়ে সরাসরি উচ্ছেদে যোগ দেবেন না—যদিও এটাও জানান যে এমন উদ্যোগ তার দায়িত্বের বাইরে নয়।

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে তিনজন মাদকাসেবীকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে তা নিয়েও তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা হয়েছিল; মাঠে কাজ করা মানুষই জানে কখন লাঠি নেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। সর্ব মিত্র জানিয়েছেন—একজন সদস্য হিসেবে তিনি নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ার কাজে অবদান রাখবেন, তবে ভবিষ্যতে সরাসরি মাঠে আর থাকবেন না। তিনি নিজের পোস্ট শেষে ধন্যবাদ জানিয়েও থাকেন।