চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে চীন ও রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে মুখ খুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi। মার্কিন সংবাদমাধ্যম NBC News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, চীন ও রাশিয়া ইরানকে রাজনৈতিকভাবে এবং অন্যান্য উপায়ে সমর্থন দিচ্ছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “তারা আমাদের রাজনৈতিকভাবে এবং অন্যভাবেও সমর্থন করছে।” তবে এই সমর্থনের মধ্যে সামরিক সহায়তা রয়েছে কি না—এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
আরাগচি বলেন, যুদ্ধ চলাকালীন সময় অন্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতার বিস্তারিত প্রকাশ করা ঠিক হবে না। একই সঙ্গে তিনি জানান, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার শব্দ তিনি নিজেও শুনেছেন, তবে এতে নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন।
এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে নতুন করে হামলার দাবি করেছে ইরান। সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন পাঠানো হয়েছে এবং এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর স্থলবাহিনী বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক ড্রোন ব্যবহার করে কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক আকারে হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, গত কয়েক ঘণ্টায় বিপুল সংখ্যক ড্রোন দিয়ে ওই ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে এবং আগামী কয়েক ঘণ্টায়ও এ ধরনের হামলা চলতে পারে।
অন্যদিকে ইরানের অভিজাত বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েলের Ben Gurion Airport, Haifa এবং Tel Avivসহ কয়েকটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
তবে এসব হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























