ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করে আইভীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে’ : পাটওয়ারী আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই অর্ধেক ফি, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চিকিৎসকের বিশেষ ঘোষণা জন্মদিনের দিনই ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য ঘনীভূত বিমানবন্দর লোডারের মৃত্যুতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি আবারও আ. লীগের ফাঁদে পড়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন বাংলাদেশে যৌথ ড্রোন কারখানা গড়তে চায় তুরস্ক তুরস্ক বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: জামায়াত আমির ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনে মার্কিন নৌবহরকে সতর্কবার্তা দিল ইরান লালমনিরহাটের তিন সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ

দিল্লি সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম মন্ত্রী হিসেবে আগামীকাল মঙ্গলবার ভারত সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান। ঢাকা এই সফরকে ‘শুভেচ্ছা সফর’ হিসেবে উল্লেখ করলেও কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে অগ্রগতি অর্জনই সফরের মূল লক্ষ্য।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পারস্পরিক সম্মান ও পারস্পরিক লাভের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন কাঠামোয় এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখে দিল্লির সঙ্গে বিদ্যমান কিছু টানাপোড়েন কমিয়ে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হবেন ড. খালিলুর রহমান। এছাড়া ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরির সঙ্গেও পৃথক বৈঠকের সূচি রয়েছে। এসব বৈঠকে নিরাপত্তা, জ্বালানি ও কৌশলগত সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, আলোচনায় ভিসা সেবা পুরোপুরি পুনরায় চালুর বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরবে বাংলাদেশ। বিশেষ করে চিকিৎসা পর্যটনের সুবিধার্থে ভারতকে আরও ইতিবাচক অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।

সীমান্ত ব্যবস্থাপনাও আলোচনার অন্যতম প্রধান ইস্যু। সীমান্তে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনতে সমন্বিত পদক্ষেপ, যৌথ নজরদারি বৃদ্ধি এবং আস্থাভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের প্রস্তাব দেবে ঢাকা।

এছাড়া জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্তবর্তী বিদ্যুৎ বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক সংযোগ ও অর্থনৈতিক সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়গুলোও আলোচনায় থাকবে। কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন বাস্তবতায় আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ পথে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কিছু অমীমাংসিত বিষয় দ্রুত সমাধানের প্রত্যাশা রয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। তিনি বলেন, “এটি সময়সাপেক্ষ হতে পারে, তবে আমরা ইতিবাচক অগ্রগতি দেখতে চাই।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করে আইভীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে’ : পাটওয়ারী

দিল্লি সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান

আপডেট সময় ১১:৪৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম মন্ত্রী হিসেবে আগামীকাল মঙ্গলবার ভারত সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান। ঢাকা এই সফরকে ‘শুভেচ্ছা সফর’ হিসেবে উল্লেখ করলেও কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় ইস্যুতে অগ্রগতি অর্জনই সফরের মূল লক্ষ্য।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পারস্পরিক সম্মান ও পারস্পরিক লাভের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন কাঠামোয় এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখে দিল্লির সঙ্গে বিদ্যমান কিছু টানাপোড়েন কমিয়ে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হবেন ড. খালিলুর রহমান। এছাড়া ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরির সঙ্গেও পৃথক বৈঠকের সূচি রয়েছে। এসব বৈঠকে নিরাপত্তা, জ্বালানি ও কৌশলগত সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, আলোচনায় ভিসা সেবা পুরোপুরি পুনরায় চালুর বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরবে বাংলাদেশ। বিশেষ করে চিকিৎসা পর্যটনের সুবিধার্থে ভারতকে আরও ইতিবাচক অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।

সীমান্ত ব্যবস্থাপনাও আলোচনার অন্যতম প্রধান ইস্যু। সীমান্তে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনতে সমন্বিত পদক্ষেপ, যৌথ নজরদারি বৃদ্ধি এবং আস্থাভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের প্রস্তাব দেবে ঢাকা।

এছাড়া জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্তবর্তী বিদ্যুৎ বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক সংযোগ ও অর্থনৈতিক সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়গুলোও আলোচনায় থাকবে। কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন বাস্তবতায় আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ পথে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কিছু অমীমাংসিত বিষয় দ্রুত সমাধানের প্রত্যাশা রয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। তিনি বলেন, “এটি সময়সাপেক্ষ হতে পারে, তবে আমরা ইতিবাচক অগ্রগতি দেখতে চাই।”