ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর সফরে মালয়েশিয়া-চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে: মির্জা ফখরুল নিজের ছবিসহ নতুন পাসপোর্টের নকশা প্রকাশ করলেন ট্রাম্প ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে পাগলা মসজিদের দানবক্সে চিঠি ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল বুর্কিনা ফাসো প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগে মিলল শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত ডিম-রুটি ‘এখন আল্লাহ ছাড়া আমার কেউ নেই’, মা ও তিন বোনের জানাজায় সিফাত লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প আঘাত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু ৯০০ ছাড়াল, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় ইরানের হামলা আর্জেন্টিনার সামনে ‘শক্তিশালী’ কেপ ভার্দে, অপেক্ষায় স্পেন

ভোটের পর উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, সহিংসতায় প্রাণ গেল ৪ জনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় চারজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এসব সংঘর্ষ। নিহতদের মধ্যে দুজন All India Trinamool Congress (তৃণমূল) এবং দুজন Bharatiya Janata Party (বিজেপি)-এর কর্মী বলে জানা গেছে। এ ছাড়া সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতকারীদের ছোড়া গুলিতে ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূণ করসহ আরও কয়েকজন আহত হন।

মঙ্গলবার সকালে কলকাতার বেলেঘাটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে তৃণমূলকর্মী বিশ্বজিৎ পট্টনায়ক (৪২) হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সোমবার রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরই দুষ্কৃতকারীরা তাঁকে আক্রমণ করে।

এ ছাড়া রাজারহাটের বালিগড়ি এলাকায় মধু মণ্ডল (৪৬) নামে এক বিজেপি কর্মীকে হত্যা করা হয়। একই দিন বিকেলে বীরভূম জেলার নানুরের সন্তোষপুর গ্রামে তৃণমূলের বুথ সভাপতি আবির শেখ (৪০) গলা কেটে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভোটের ফল ঘোষণার রাতেই হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে যাদব কর (৪৫) নামে এক বিজেপি সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, বিজয়ের আনন্দে পিকনিক করার সময় তাঁর ওপর লাঠি নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসব ঘটনার পর বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সহিংসতা আরও বাড়তে থাকে। এ প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলনে Mamata Banerjee বলেন, ২০২১ সালের নির্বাচনের পর রাজ্যে বড় ধরনের সহিংসতা হয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মানবাধিকার কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কোথায়।

অন্যদিকে রাজ্য Bharatiya Janata Party নেতৃত্ব জানিয়েছে, তারা রাজ্যে শান্তি চায়। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, প্রশাসনের উচিত দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে সহিংসতা দমন করা।

এরই মধ্যে সোমবার রাতে কলকাতার লায়েলকা এলাকায় তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সফরে মালয়েশিয়া-চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে: মির্জা ফখরুল

ভোটের পর উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ, সহিংসতায় প্রাণ গেল ৪ জনের

আপডেট সময় ০৪:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় চারজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এসব সংঘর্ষ। নিহতদের মধ্যে দুজন All India Trinamool Congress (তৃণমূল) এবং দুজন Bharatiya Janata Party (বিজেপি)-এর কর্মী বলে জানা গেছে। এ ছাড়া সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতকারীদের ছোড়া গুলিতে ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূণ করসহ আরও কয়েকজন আহত হন।

মঙ্গলবার সকালে কলকাতার বেলেঘাটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে তৃণমূলকর্মী বিশ্বজিৎ পট্টনায়ক (৪২) হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সোমবার রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরই দুষ্কৃতকারীরা তাঁকে আক্রমণ করে।

এ ছাড়া রাজারহাটের বালিগড়ি এলাকায় মধু মণ্ডল (৪৬) নামে এক বিজেপি কর্মীকে হত্যা করা হয়। একই দিন বিকেলে বীরভূম জেলার নানুরের সন্তোষপুর গ্রামে তৃণমূলের বুথ সভাপতি আবির শেখ (৪০) গলা কেটে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভোটের ফল ঘোষণার রাতেই হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে যাদব কর (৪৫) নামে এক বিজেপি সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, বিজয়ের আনন্দে পিকনিক করার সময় তাঁর ওপর লাঠি নিয়ে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসব ঘটনার পর বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সহিংসতা আরও বাড়তে থাকে। এ প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলনে Mamata Banerjee বলেন, ২০২১ সালের নির্বাচনের পর রাজ্যে বড় ধরনের সহিংসতা হয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মানবাধিকার কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কোথায়।

অন্যদিকে রাজ্য Bharatiya Janata Party নেতৃত্ব জানিয়েছে, তারা রাজ্যে শান্তি চায়। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, প্রশাসনের উচিত দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে সহিংসতা দমন করা।

এরই মধ্যে সোমবার রাতে কলকাতার লায়েলকা এলাকায় তৃণমূলের একটি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।