বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিষধর সাপ ও কুমির ছাড়ার খবর সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।
দিল্লি সফররত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বুধবার (৬ মে) এ দবি জানান বিক্রম মিশ্রি।
বাংলাদেশ ভারত সীমান্তের যেসব এলাকায় ভৌগোলিক কারণে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়, সেখানে প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধক হিসেবে কুমির ও বিষধর সাপ মোতায়েন করতে চায় দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গত ২৬ মার্চ বিএসএফের এ সংক্রান্ত একটি অভ্যন্তরীণ চিঠি ফাঁস হয়।
ওই চিঠিতে কর্মকর্তাদের ঝুঁকিপূর্ণ নদী এলাকায় হিংস্র সরীসৃপ মোতায়েনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে বলা হয়েছিল। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশনা পাওয়ার পর সে অনুযায়ী বিএসএফের কাজ শুরু করার খবর প্রকাশ হয়। এ নিয়ে প্রথম খবর প্রকাশ করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট নিউজ। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। তবে এ বিষয়ে ভারত সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দিল্লি সফররত বাংলাদেশি সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব দাবি করেন, ‘খবরটি সঠিক নয়।’
দুই দেশের মধ্যে মোট চার হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় তিন হাজার কিলোমিটারে ইতোমধ্যেই কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে। বাকি অংশ পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয় ও মিজোরামের মধ্য দিয়ে গেছে। এসব জায়গায় অনেক সীমান্ত এলাকা পাহাড়, নদী ও জলাভূমি হওয়ায় সেসব স্থানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সুযোগ নেই। মূলত এমন স্থানগুলোতে দিল্লি বিকল্প ব্যবস্থা নিতে চায় বলে খবর প্রকাশ হয়েছিল বিভিন্ন গণমাধ্যমে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

















