ঢাকা , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অন্যায় দেখলে ইস্পাতের মতো কঠিন হবো: জামায়াত আমীর হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের সাতটি পাসপোর্টসহ সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি আটক পশ্চিমবঙ্গে যারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছে তাদের ছাড়া হবে না: শুভেন্দু ‘গুপ্ত গুপ্ত’ স্লোগান ব্যঙ্গ করে প্রচারণায় শিবির, সেলফিতে মাতলেন নবীন শিক্ষার্থীরা আমরা শুধু আছি ভারতকে নিয়ে আর ভারত আছে আমাদের নিয়ে: ফজলুর রহমান ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ ডেপুটি স্পিকার প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক শিবির কর্মী আ.লীগের মতো বিএনপির নেতাকর্মীরা মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে ভাগ্নিকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে সৎ মামা আটক

গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই আবু সাঈদের মৃত্যু: দাবি আসামি পক্ষের আইনজীবীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৯১৩ বার পড়া হয়েছে

গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যু গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই হয়েছে বলে দাবি করেছেন কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং এএসআই আমির হোসেনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু।

আজ বুধবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, তবে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “পরবর্তী চার্জ গঠনের তারিখে সাক্ষীদের জেরা করে ইনশাআল্লাহ প্রমাণ করতে পারবো যে আবু সাঈদের মৃত্যু গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই হয়েছে। সুরতহালে সে বিষয়টি উল্লেখও আছে।”

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরায় প্রকাশিত একটি ভিডিওর বরাত দিয়ে আইনজীবী আজিজুর রহমান বলেন, “সেখানে দেখা যায়, গুলির আগেই ৪-৫ জন পুলিশ সদস্য আবু সাঈদকে লাঠি দিয়ে আঘাত করছিল। তবে ভিডিওতে আমার দুই মক্কেল উপস্থিত ছিলেন না।”

উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিয়েছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী রিনা মুরমু।

এর আগে গত ৩ আগস্ট এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মাইক্রোবাসচালক খোকন চন্দ্র বর্মণ। সেদিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গতকাল ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্যায় দেখলে ইস্পাতের মতো কঠিন হবো: জামায়াত আমীর

গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই আবু সাঈদের মৃত্যু: দাবি আসামি পক্ষের আইনজীবীর

আপডেট সময় ০৪:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যু গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই হয়েছে বলে দাবি করেছেন কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং এএসআই আমির হোসেনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু।

আজ বুধবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, তবে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “পরবর্তী চার্জ গঠনের তারিখে সাক্ষীদের জেরা করে ইনশাআল্লাহ প্রমাণ করতে পারবো যে আবু সাঈদের মৃত্যু গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই হয়েছে। সুরতহালে সে বিষয়টি উল্লেখও আছে।”

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরায় প্রকাশিত একটি ভিডিওর বরাত দিয়ে আইনজীবী আজিজুর রহমান বলেন, “সেখানে দেখা যায়, গুলির আগেই ৪-৫ জন পুলিশ সদস্য আবু সাঈদকে লাঠি দিয়ে আঘাত করছিল। তবে ভিডিওতে আমার দুই মক্কেল উপস্থিত ছিলেন না।”

উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিয়েছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী রিনা মুরমু।

এর আগে গত ৩ আগস্ট এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মাইক্রোবাসচালক খোকন চন্দ্র বর্মণ। সেদিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গতকাল ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।