ঢাকা , শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাকসু ভিপি-জিএসকে ব্যঙ্গ করে রাবিতে ছাত্রদলের ‘ভাউচার মেলা’ ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে প্রাণ গেল মায়ের বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধানে ব্যর্থ হলে সরকারও টিকবে না: শিবির সভাপতি কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ ফিরছে শনিবার ২৫ বছর দায়িত্ব পালন করা ইমামকে রাজকীয় বিদায় দিলো এলাকাবাসী ইরান যুদ্ধে কতজন মার্কিন সেনা হতাহত, জানালো পেন্টাগন যারা বাংলাদেশকে ধারণ করে না, তাদের মাধ্যমেই বড় বড় দুর্নীতি হয়: সাদিক কায়েম অতীত থেকে শিক্ষা না নেওয়ায় শেখ হাসিনাকে পালাতে হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে পূরণ করতে হবে যে ৭ শর্ত ভারত সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার ও বন্ধুত্বের: জামায়াত আমির

গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই আবু সাঈদের মৃত্যু: দাবি আসামি পক্ষের আইনজীবীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৯৪৪ বার পড়া হয়েছে

গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যু গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই হয়েছে বলে দাবি করেছেন কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং এএসআই আমির হোসেনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু।

আজ বুধবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, তবে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “পরবর্তী চার্জ গঠনের তারিখে সাক্ষীদের জেরা করে ইনশাআল্লাহ প্রমাণ করতে পারবো যে আবু সাঈদের মৃত্যু গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই হয়েছে। সুরতহালে সে বিষয়টি উল্লেখও আছে।”

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরায় প্রকাশিত একটি ভিডিওর বরাত দিয়ে আইনজীবী আজিজুর রহমান বলেন, “সেখানে দেখা যায়, গুলির আগেই ৪-৫ জন পুলিশ সদস্য আবু সাঈদকে লাঠি দিয়ে আঘাত করছিল। তবে ভিডিওতে আমার দুই মক্কেল উপস্থিত ছিলেন না।”

উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিয়েছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী রিনা মুরমু।

এর আগে গত ৩ আগস্ট এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মাইক্রোবাসচালক খোকন চন্দ্র বর্মণ। সেদিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গতকাল ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাকসু ভিপি-জিএসকে ব্যঙ্গ করে রাবিতে ছাত্রদলের ‘ভাউচার মেলা’

গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই আবু সাঈদের মৃত্যু: দাবি আসামি পক্ষের আইনজীবীর

আপডেট সময় ০৪:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যু গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই হয়েছে বলে দাবি করেছেন কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং এএসআই আমির হোসেনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু।

আজ বুধবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, তবে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “পরবর্তী চার্জ গঠনের তারিখে সাক্ষীদের জেরা করে ইনশাআল্লাহ প্রমাণ করতে পারবো যে আবু সাঈদের মৃত্যু গুলিতে নয়, মাথায় আঘাতেই হয়েছে। সুরতহালে সে বিষয়টি উল্লেখও আছে।”

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরায় প্রকাশিত একটি ভিডিওর বরাত দিয়ে আইনজীবী আজিজুর রহমান বলেন, “সেখানে দেখা যায়, গুলির আগেই ৪-৫ জন পুলিশ সদস্য আবু সাঈদকে লাঠি দিয়ে আঘাত করছিল। তবে ভিডিওতে আমার দুই মক্কেল উপস্থিত ছিলেন না।”

উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিয়েছেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী রিনা মুরমু।

এর আগে গত ৩ আগস্ট এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মাইক্রোবাসচালক খোকন চন্দ্র বর্মণ। সেদিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গতকাল ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।