ইরানের তেল রপ্তানিতে বাধা দিতে দেশটির তেলবাহী জাহাজে হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরানের তেল রপ্তানি সীমিত করা এবং তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতেই এ অভিযান শুরু হয়েছে।
শনিবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দুটি মার্কিন নৌযান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর তিনটি ইরানি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজে হামলা চালায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার লক্ষ্য হওয়া দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজই ক্ষেপণাস্ত্র এড়িয়ে যায়। এতে কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি।
এর আগে ইরান দাবি করে, হরমুজ প্রণালিতে ‘অনুমোদনহীন পথে’ চলাচল করা তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে তারা। একই সঙ্গে অন্যত্র তিনটি মার্কিন নৌযানেও হামলার দাবি করেছে তেহরান। তবে এসব দাবির বিস্তারিত স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
ইরানের তেলবাহী জাহাজের বিরুদ্ধে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি বলেছেন, ইরান মার্কিন জাহাজে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেলবাহী জাহাজ ধ্বংস ও ডুবিয়ে দেবে।
এরই মধ্যে ইরানের তেল রপ্তানি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। ভর্টেক্সা ও কেপলারের হিসাব অনুযায়ী, আগস্টে ইরান প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ৫৫ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেট উত্তোলন করেছে। মার্চে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল।
যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী?
সূত্র: শাফাক নিউজ এজেন্সি

ডেস্ক রিপোর্ট 



















