ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার আজ ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল সাভারে পুলিশ কর্মকর্তাকে পিটিয়ে হত্যা বাড্ডায় ফার্নিচারের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট একাই নদী পরিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিলেন যুবক, পেলেন বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি ইরানের হামলার পর সংঘাতরত এলাকা ছেড়ে গেছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত: জামায়াত আমির গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কানাডায় ২ শিশুকে ৯ মাস যৌন নিপীড়ন, প্রবাসী আর্ট শিক্ষক গ্রেপ্তার

একাই নদী পরিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিলেন যুবক, পেলেন বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

এবার দূষণে ভরা একটি নদী একাই পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ভারতের ২১ বছর বয়সী তরুণ সুরেন্দ্র সিং চৌধুরী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বিট্টু তাবাহি’ নামে পরিচিত তিনি। নদী পরিষ্কারের কাজ করার পর নেদারল্যান্ডসের একটি পরিবেশবিষয়ক এনজিও-তে কাজের প্রস্তাব পেয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, আজনার নদীর একটি অংশ প্লাস্টিকের বর্জ্য, শেওলা, কাদা ও নানা ধরনের আবর্জনায় ভরে গিয়েছিল। নদীর পাশে থাকা একটি স্থানীয় মন্দিরের আশপাশের পরিস্থিতিও ছিল অত্যন্ত নোংরা। দুর্গন্ধে এলাকাবাসীর ভোগান্তি হচ্ছিল। এ অবস্থায় সরকারি কোনো উদ্যোগের অপেক্ষা না করে নিজেই নদী পরিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেন সুরেন্দ্র। ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে নদী পরিষ্কারের কাজে হাত দেন তিনি।

শুরুতে কয়েকজন বন্ধু তাকে সহযোগিতা করলেও পরে কাজটি প্রায় একাই চালিয়ে যেতে হয় তাকে। সাধারণ কিছু সরঞ্জাম ব্যবহার করে নদী থেকে হাতে হাতে বিপুল পরিমাণ আবর্জনা তুলে ফেলেন তিনি। এ কাজ করার সময় তার কাছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাসামগ্রীও ছিল না। এমনকি তিনি সাঁতারও জানতেন না। তবু দিনের পর দিন নদীতে নেমে প্লাস্টিক, কাদা, শেওলা ও অন্যান্য বর্জ্য পরিষ্কার করেন বিট্টু।

নদী পরিষ্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে নিজের সঞ্চয়ের টাকা ব্যবহার করেন বিট্টু তাবাহি। তবে এই কঠিন কাজের কারণে তার স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব পড়ে। নদী পরিষ্কারের সময় তার শরীরের বিভিন্ন অংশে সংক্রমণ দেখা দেয় এবং ত্বকে চুলকানির সমস্যায় ভুগতে হয়। কাজ করার সময় কয়েকবার সাপের মুখোমুখিও হন তিনি। সুরেন্দ্র একটি সাধারণ পরিবারের সন্তান। তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকেন এবং বর্তমানে স্নাতক পর্যায়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার আজ ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

একাই নদী পরিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিলেন যুবক, পেলেন বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি

আপডেট সময় ০৯:৪৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার দূষণে ভরা একটি নদী একাই পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ভারতের ২১ বছর বয়সী তরুণ সুরেন্দ্র সিং চৌধুরী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বিট্টু তাবাহি’ নামে পরিচিত তিনি। নদী পরিষ্কারের কাজ করার পর নেদারল্যান্ডসের একটি পরিবেশবিষয়ক এনজিও-তে কাজের প্রস্তাব পেয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, আজনার নদীর একটি অংশ প্লাস্টিকের বর্জ্য, শেওলা, কাদা ও নানা ধরনের আবর্জনায় ভরে গিয়েছিল। নদীর পাশে থাকা একটি স্থানীয় মন্দিরের আশপাশের পরিস্থিতিও ছিল অত্যন্ত নোংরা। দুর্গন্ধে এলাকাবাসীর ভোগান্তি হচ্ছিল। এ অবস্থায় সরকারি কোনো উদ্যোগের অপেক্ষা না করে নিজেই নদী পরিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেন সুরেন্দ্র। ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে নদী পরিষ্কারের কাজে হাত দেন তিনি।

শুরুতে কয়েকজন বন্ধু তাকে সহযোগিতা করলেও পরে কাজটি প্রায় একাই চালিয়ে যেতে হয় তাকে। সাধারণ কিছু সরঞ্জাম ব্যবহার করে নদী থেকে হাতে হাতে বিপুল পরিমাণ আবর্জনা তুলে ফেলেন তিনি। এ কাজ করার সময় তার কাছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাসামগ্রীও ছিল না। এমনকি তিনি সাঁতারও জানতেন না। তবু দিনের পর দিন নদীতে নেমে প্লাস্টিক, কাদা, শেওলা ও অন্যান্য বর্জ্য পরিষ্কার করেন বিট্টু।

নদী পরিষ্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে নিজের সঞ্চয়ের টাকা ব্যবহার করেন বিট্টু তাবাহি। তবে এই কঠিন কাজের কারণে তার স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব পড়ে। নদী পরিষ্কারের সময় তার শরীরের বিভিন্ন অংশে সংক্রমণ দেখা দেয় এবং ত্বকে চুলকানির সমস্যায় ভুগতে হয়। কাজ করার সময় কয়েকবার সাপের মুখোমুখিও হন তিনি। সুরেন্দ্র একটি সাধারণ পরিবারের সন্তান। তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকেন এবং বর্তমানে স্নাতক পর্যায়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।