ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ নোয়াখালীতে ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার ১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০ নিজেদের সক্ষমতার সামান্যই ব্যবহার করেছে ইরান, নিচ্ছে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

মাত্র ছয় মাসে কোরআনের হাফেজ হলেন ১০ বছরের সিদ্দিক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

এবার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মাত্র ছয় মাসে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হয়ে আলোচনায় এসেছে শিশু আবু বকর সিদ্দিক (১০) তার এই অসাধারণ সাফল্যে আনন্দিত পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসী। আবু বকর সিদ্দিক হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরচেঙ্গা গ্রামের হাজী মুখলেছুর রহমানের বাড়ির শিক্ষক মো. বেলাল উদ্দিন ও মোসাম্মৎ আয়েশা ছিদ্দিকা দম্পতির ছেলে। কোম্পানীগঞ্জের দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগ থেকে মাত্র ছয় মাসে সম্পূর্ণ কুরআন হিফজ সম্পন্ন করে সে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিকের পরিবারে ৬৭ জন কোরআনের হাফেজ রয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই কোরআনের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। ছেলে জন্মের পর থেকেই তাকে হাফেজ বানানোর সিদ্ধান্ত নেন তার বাবামা। সেই লক্ষ্য নিয়েই ২০২৫ সালের শুরুতে তাকে কোম্পানীগঞ্জের দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়। পরে পরিবারের উৎসাহ এবং শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে মাত্র ছয় মাসে সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয় সিদ্দিক।

শিশু হাফেজ আবু বকর সিদ্দিক জানায়, ছোটবেলা থেকেই সে কুরআন তিলাওয়াত করতে ভালোবাসে। মাদরাসার শিক্ষকদের সহযোগিতা ও পরিবারের অনুপ্রেরণায় সে নিয়মিত পড়াশোনা করেছে। ভবিষ্যতে সে একজন বড় আলেম ও দেশবরেণ্য হাফেজ হতে চায়। তার বাবা মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই ছেলের মধ্যে কোরআনের প্রতি আগ্রহ দেখেছি। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নেই তাকে হিফজে ভর্তি করাব। আল্লাহর রহমতে অল্প সময়ের মধ্যেই সে পুরো কোরআন মুখস্থ করতে পেরেছে। একজন বাবা হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। আমি চাই আমার ছেলে ভবিষ্যতে একজন যোগ্য আলেম হয়ে দ্বীনের খেদমত করুক। এজন্য সবার কাছে তার জন্য দোয়া চাই।

মাদরাসার হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ মুহাম্মদ মুনাওয়ার বলেন, শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান ও পরিবারের সহযোগিতায় সিদ্দিক দ্রুত কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা আশা করি সে ভবিষ্যতে বড় আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করবে। এত অল্প বয়সে তার এমন কৃতিত্ব অন্য শিশুদেরও দ্বীনি শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। মাদরাসার সহকারী মুহতামিম মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, সিদ্দিক খুব মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্র। নিয়মিত অধ্যবসায়ের কারণেই সে অল্প সময়ের মধ্যে কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করতে পেরেছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও সিদ্দিকের এই সাফল্যে আনন্দিত।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

মাত্র ছয় মাসে কোরআনের হাফেজ হলেন ১০ বছরের সিদ্দিক

আপডেট সময় ১০:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

এবার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মাত্র ছয় মাসে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হয়ে আলোচনায় এসেছে শিশু আবু বকর সিদ্দিক (১০) তার এই অসাধারণ সাফল্যে আনন্দিত পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসী। আবু বকর সিদ্দিক হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরচেঙ্গা গ্রামের হাজী মুখলেছুর রহমানের বাড়ির শিক্ষক মো. বেলাল উদ্দিন ও মোসাম্মৎ আয়েশা ছিদ্দিকা দম্পতির ছেলে। কোম্পানীগঞ্জের দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগ থেকে মাত্র ছয় মাসে সম্পূর্ণ কুরআন হিফজ সম্পন্ন করে সে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিকের পরিবারে ৬৭ জন কোরআনের হাফেজ রয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই কোরআনের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। ছেলে জন্মের পর থেকেই তাকে হাফেজ বানানোর সিদ্ধান্ত নেন তার বাবামা। সেই লক্ষ্য নিয়েই ২০২৫ সালের শুরুতে তাকে কোম্পানীগঞ্জের দারুল আরকাম মাদরাসার হিফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়। পরে পরিবারের উৎসাহ এবং শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে মাত্র ছয় মাসে সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয় সিদ্দিক।

শিশু হাফেজ আবু বকর সিদ্দিক জানায়, ছোটবেলা থেকেই সে কুরআন তিলাওয়াত করতে ভালোবাসে। মাদরাসার শিক্ষকদের সহযোগিতা ও পরিবারের অনুপ্রেরণায় সে নিয়মিত পড়াশোনা করেছে। ভবিষ্যতে সে একজন বড় আলেম ও দেশবরেণ্য হাফেজ হতে চায়। তার বাবা মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই ছেলের মধ্যে কোরআনের প্রতি আগ্রহ দেখেছি। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নেই তাকে হিফজে ভর্তি করাব। আল্লাহর রহমতে অল্প সময়ের মধ্যেই সে পুরো কোরআন মুখস্থ করতে পেরেছে। একজন বাবা হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। আমি চাই আমার ছেলে ভবিষ্যতে একজন যোগ্য আলেম হয়ে দ্বীনের খেদমত করুক। এজন্য সবার কাছে তার জন্য দোয়া চাই।

মাদরাসার হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ মুহাম্মদ মুনাওয়ার বলেন, শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান ও পরিবারের সহযোগিতায় সিদ্দিক দ্রুত কুরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা আশা করি সে ভবিষ্যতে বড় আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করবে। এত অল্প বয়সে তার এমন কৃতিত্ব অন্য শিশুদেরও দ্বীনি শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। মাদরাসার সহকারী মুহতামিম মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, সিদ্দিক খুব মনোযোগী ও পরিশ্রমী ছাত্র। নিয়মিত অধ্যবসায়ের কারণেই সে অল্প সময়ের মধ্যে কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করতে পেরেছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও সিদ্দিকের এই সাফল্যে আনন্দিত।