ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না: শিক্ষামন্ত্রী বিএনপির সাংবাদিক হইয়েন না, সাংবাদিক হোন: অর্থমন্ত্রী প্রেসিডেন্সি ‘বিপজ্জনক পেশা’, জানলে নির্বাচন করতাম না: ট্রাম্প শিক্ষার্থীরা ভাইরাল হতে চায়: শিক্ষামন্ত্রী ক্ষমতার অপব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: আইজিপি তারেক রহমানের আমন্ত্রণে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হোটেলের অতিথি সেজে ট্রাম্পকে হত্যার অপেক্ষায় ছিলেন শিক্ষক অ্যালেন আম্মারের অশ্লীলতা কি পারিবারিক ঐতিহ্য?: প্রশ্ন ছাত্রদল নেত্রীর ট্রাম্প প্রশাসনকে উপেক্ষা করে মাদুরোর পক্ষে রায় দিল নিউইয়র্ক আদালত মারা গেলেন সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন

বাংলাদেশে ব্যবসা করা খুবই কঠিন: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:১০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশে ব্যবসা করা খুবই কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন সম্ভাবনার মুখে দাঁড়িয়ে আছে। তবে সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তার মতে, বড় বাজার ও ক্রমবর্ধমান ক্রয়ক্ষমতা বাংলাদেশকে আকর্ষণীয় করে তুললেও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত না হলে এই আগ্রহ বাস্তবে রূপ নেবে না। এমনকি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতি নতুন সরকারের ঘোষিত উদ্যোগ বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এসব তথ্য জানান। সাক্ষাৎকারে পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রবাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্কের গতিপথ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি এমন একটি ক্ষেত্র, যা নিয়ে আমি সত্যিই আশাবাদী। বাংলাদেশের মধ্যে এবং যুক্তরাষ্ট্রবাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে আমি বিশাল সম্ভাবনা দেখি। বাংলাদেশে ১৮ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করে, এটি একটি বড় বাজার। মানুষের আয় বাড়ছে, তারা আরও বেশি বিকল্প ও সুযোগ খুঁজছে।

তিনি বলেন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও নতুন সুযোগ ও নতুন বাজার খুঁজছে। বাংলাদেশ নিয়ে আগ্রহও রয়েছে অনেক। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলোবাংলাদেশকে তার এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। তার মতে, এটি কোনও গোপন বিষয় নয় যে বাংলাদেশে ব্যবসা করা খুবই কঠিন। আমাদের ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট স্টেটমেন্ট, ন্যাশনাল ট্রেড এস্টিমেটসহ বিভিন্ন প্রকাশ্য প্রতিবেদনে বহু বছর ধরে এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ফলে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে এখনও অনেক কাজ বাকি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, তবে নতুন সরকার যদি তাদের ঘোষিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করে এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে পারে, তাহলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে আগ্রহ ও সম্ভাবনা দুটিই বাড়বে।

ব্যবসা সম্প্রসারণে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা কীভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব এবং নতুন সরকারের মধ্যে এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, সরকারের সঙ্গে আমার বৈঠক ও আলোচনায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতারা অবশ্যই সঠিক কথাগুলো বলছেন। আমরা অনেক সমস্যার বিষয়েই আলোচনা করেছি এবং তারা সেগুলো সমাধানের ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কিন্তু এই কথার পর বাস্তবে কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীরা আসলে সেটাই দেখতে চান। এখন সংসদ গঠিত হয়েছে এবং অধিবেশনও শুরু হয়েছে। আমি আশা করছি, এসব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আমরা বাস্তব ও দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পাব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশে ব্যবসা করা খুবই কঠিন: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ০৪:১০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

এবার বাংলাদেশে ব্যবসা করা খুবই কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন সম্ভাবনার মুখে দাঁড়িয়ে আছে। তবে সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তার মতে, বড় বাজার ও ক্রমবর্ধমান ক্রয়ক্ষমতা বাংলাদেশকে আকর্ষণীয় করে তুললেও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত না হলে এই আগ্রহ বাস্তবে রূপ নেবে না। এমনকি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতি নতুন সরকারের ঘোষিত উদ্যোগ বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এসব তথ্য জানান। সাক্ষাৎকারে পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রবাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্কের গতিপথ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি এমন একটি ক্ষেত্র, যা নিয়ে আমি সত্যিই আশাবাদী। বাংলাদেশের মধ্যে এবং যুক্তরাষ্ট্রবাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে আমি বিশাল সম্ভাবনা দেখি। বাংলাদেশে ১৮ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করে, এটি একটি বড় বাজার। মানুষের আয় বাড়ছে, তারা আরও বেশি বিকল্প ও সুযোগ খুঁজছে।

তিনি বলেন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও নতুন সুযোগ ও নতুন বাজার খুঁজছে। বাংলাদেশ নিয়ে আগ্রহও রয়েছে অনেক। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলোবাংলাদেশকে তার এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। তার মতে, এটি কোনও গোপন বিষয় নয় যে বাংলাদেশে ব্যবসা করা খুবই কঠিন। আমাদের ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট স্টেটমেন্ট, ন্যাশনাল ট্রেড এস্টিমেটসহ বিভিন্ন প্রকাশ্য প্রতিবেদনে বহু বছর ধরে এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ফলে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে এখনও অনেক কাজ বাকি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, তবে নতুন সরকার যদি তাদের ঘোষিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করে এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে পারে, তাহলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে আগ্রহ ও সম্ভাবনা দুটিই বাড়বে।

ব্যবসা সম্প্রসারণে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা কীভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব এবং নতুন সরকারের মধ্যে এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, সরকারের সঙ্গে আমার বৈঠক ও আলোচনায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতারা অবশ্যই সঠিক কথাগুলো বলছেন। আমরা অনেক সমস্যার বিষয়েই আলোচনা করেছি এবং তারা সেগুলো সমাধানের ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কিন্তু এই কথার পর বাস্তবে কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীরা আসলে সেটাই দেখতে চান। এখন সংসদ গঠিত হয়েছে এবং অধিবেশনও শুরু হয়েছে। আমি আশা করছি, এসব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আমরা বাস্তব ও দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পাব।