ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অপেক্ষা এখন শেষের পথে। আগামী ১১ জুন পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের নতুন আসরের। উত্তর আমেরিকার মাটিতে বসতে যাওয়া এই মহাযজ্ঞে নজর থাকবে বিশ্বের সেরা সব ফুটবল তারকার দিকে।
প্রতি বিশ্বকাপেই কিছু খেলোয়াড় নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে হয়ে ওঠেন দলের তুরুপের তাস। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন কয়েকজন তারকার নাম, যারা বিশ্বকাপের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।
তালিকার শীর্ষে আছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে রয়েছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, যাঁর জন্য এটি হতে পারে ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রায় সব অর্জন থাকলেও বিশ্বকাপ শিরোপা এখনও অধরা রয়ে গেছে রোনালদোর।
ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেও থাকছেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ২০২২ সালের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেও শিরোপা জিততে না পারা এই ফরোয়ার্ড এবার ফ্রান্সকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবেন।
অন্যদিকে স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই তিনি বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ফুটবলারদের একজন। একইভাবে নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হলান্ডও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ পাচ্ছেন।
ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন, ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, তুরস্কের উদীয়মান তারকা আরদা গুলের এবং মিসরের মোহাম্মদ সালাহও এবারের আসরে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ২০২৬ শুধু শিরোপার লড়াই নয়, এটি হতে যাচ্ছে দুই প্রজন্মের তারকাদের মুখোমুখি হওয়ার মঞ্চ। একদিকে মেসি-রোনালদোর মতো কিংবদন্তিদের শেষ বিশ্বকাপ, অন্যদিকে ইয়ামাল, হলান্ড ও গুলেরদের মতো নতুন তারকাদের বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব জানান দেওয়ার সুযোগ।
এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত কারা হয়ে ওঠেন নিজেদের দলের সবচেয়ে বড় ভরসা এবং বিশ্বকাপের আসল গেমচেঞ্জার।

