ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: ডেপুটি স্পিকার অনিয়ম-দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা দেশটাকে খেয়ে ফেলছে: এটিএম আজহার সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার বিরোধীদলীয় নেতার জন্য হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরলে ফাঁসির কাষ্ঠে নিতে জুলাই শহীদদের পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস কানে শোনে না, কথাও বলতে পারে না তবুও রঙের ভাষায় স্বপ্ন আঁকে সাবা লং মার্চ না করে সংসদে এলে সারাদিন আলোচনা করা যেত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ ইস্যুতে দক্ষিণ কোরিয়াকে ইরানের সতর্কবার্তা

ব্যালটের মাধ্যমে ঋণখেলাপীদের ‘না’ বলতে হবে: হাসনাত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্যালটের মাধ্যমে ঋণখেলাপীদের ‘না’ বলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, এসব ঋণখেলাপী সংসদে গিয়ে যেন জনগণের টাকা ফেরত দিতে না হয়, সেই ব্যবস্থাই করবে। তাই ব্যালটের মাধ্যমে ঋণখেলাপীদের ‘না’ বলতে হবে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার দেবিদ্বারে জয়পুর চাঁন মিয়া মার্কেটের সামনে ওসমান হাদির স্মরণে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপীদের প্রার্থী করার প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জনগণ নতুন কিছু প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, ঋণখেলাপীদের মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে। যারা ব্যাংকের টাকা ও জনগণের আমানত ফেরত দেয় না, তারা সংসদে গিয়ে জনগণকে কী বার্তা দিতে চায়, তা বোধগম্য নয়।

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নিজেই ঋণ শোধ করে না, সে ব্যক্তি জনগণের সেবা করতে এলে কী ধরনের সেবা দেবে, তা পরিষ্কার। যারা জনগণের ট্যাক্সের টাকা ও ঋণের টাকা আত্মসাৎ করে বিলাসিতা করে, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদের আমলে দেখা গেছে, চোখের ইশারায়ও যদি বিএনপি-জামায়াত কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করত, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সেখানে উপস্থিত হতো। অথচ ছয় মাস আগে ঘোষণা দিয়ে জুমার দিনে প্রকাশ্যে আমার ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হলো। হত্যার পর খুনিরা সীমান্তের ওপারে চলে গেল, কিন্তু দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।

এনসিপির এই নেতা বলেন, অতীতে ভারত ঠিক করে দিয়েছে এই দেশ কে চালাবে। এ দেশে এজেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যেমন ব্যাংক এজেন্ট দেওয়া হয়। এ দেশে মোদির এজেন্ট ছিল হাসিনা। এজেন্ট মালিকের কথামতো দেশ চালিয়েছে, আর যখন পারেনি, তখন মালিক সেই এজেন্টকে সরিয়ে নিয়েছে। ভারতের গুণ্ডামি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ইনসাফের প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব।

হাদি ইস্যুর প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, ভারতের গুণ্ডামির বিরুদ্ধে যারা আপসহীন ছিলেন, ওসমান হাদি তাদের অন্যতম। কিন্তু দুঃখজনক হলো হাদি শহীদ হওয়ার তিন সপ্তাহ পার হলেও এখনো তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করা যায়নি। এটি আমাদের জাতির জন্য লজ্জাজনক। আমরা হাদি হত্যার বিচার চাই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: ডেপুটি স্পিকার

ব্যালটের মাধ্যমে ঋণখেলাপীদের ‘না’ বলতে হবে: হাসনাত

আপডেট সময় ১০:২৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ব্যালটের মাধ্যমে ঋণখেলাপীদের ‘না’ বলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, এসব ঋণখেলাপী সংসদে গিয়ে যেন জনগণের টাকা ফেরত দিতে না হয়, সেই ব্যবস্থাই করবে। তাই ব্যালটের মাধ্যমে ঋণখেলাপীদের ‘না’ বলতে হবে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার দেবিদ্বারে জয়পুর চাঁন মিয়া মার্কেটের সামনে ওসমান হাদির স্মরণে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপীদের প্রার্থী করার প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জনগণ নতুন কিছু প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, ঋণখেলাপীদের মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে। যারা ব্যাংকের টাকা ও জনগণের আমানত ফেরত দেয় না, তারা সংসদে গিয়ে জনগণকে কী বার্তা দিতে চায়, তা বোধগম্য নয়।

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নিজেই ঋণ শোধ করে না, সে ব্যক্তি জনগণের সেবা করতে এলে কী ধরনের সেবা দেবে, তা পরিষ্কার। যারা জনগণের ট্যাক্সের টাকা ও ঋণের টাকা আত্মসাৎ করে বিলাসিতা করে, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ফ্যাসিবাদের আমলে দেখা গেছে, চোখের ইশারায়ও যদি বিএনপি-জামায়াত কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করত, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সেখানে উপস্থিত হতো। অথচ ছয় মাস আগে ঘোষণা দিয়ে জুমার দিনে প্রকাশ্যে আমার ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হলো। হত্যার পর খুনিরা সীমান্তের ওপারে চলে গেল, কিন্তু দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।

এনসিপির এই নেতা বলেন, অতীতে ভারত ঠিক করে দিয়েছে এই দেশ কে চালাবে। এ দেশে এজেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যেমন ব্যাংক এজেন্ট দেওয়া হয়। এ দেশে মোদির এজেন্ট ছিল হাসিনা। এজেন্ট মালিকের কথামতো দেশ চালিয়েছে, আর যখন পারেনি, তখন মালিক সেই এজেন্টকে সরিয়ে নিয়েছে। ভারতের গুণ্ডামি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও ইনসাফের প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব।

হাদি ইস্যুর প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, ভারতের গুণ্ডামির বিরুদ্ধে যারা আপসহীন ছিলেন, ওসমান হাদি তাদের অন্যতম। কিন্তু দুঃখজনক হলো হাদি শহীদ হওয়ার তিন সপ্তাহ পার হলেও এখনো তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করা যায়নি। এটি আমাদের জাতির জন্য লজ্জাজনক। আমরা হাদি হত্যার বিচার চাই।