ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কোটালীপাড়ার সেতুতে ফুটবল দেশের পতাকার বদলে কালেমা খচিত পতাকা, সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার ঝড় শাহজালালে বিমানের ইঞ্জিন বিকল, জরুরি দরজা ভে’ঙে যাত্রী উ’দ্ধা’র ‘শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিংয়ের সাথে বৈঠক’ আ.লীগের মিছিলে গেলেই অর্ধেক মাসের বেতন, ১৫ দিনেই জামিনের নিশ্চয়তা! বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে যে অবস্থা হতে পারে ঢাকার তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনায় চীন-বাংলাদেশের ঐকমত্য ঢাকার হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিলো ভারত বর্তমানে দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চীনা জে-১০সি যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, নজর রাখছে ভারত

মাদক পাচাররোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

এবার মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।  শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় দেশ মাদক পাচার এবং মাদক সংক্রান্ত অর্থপাচাররোধে একে অপরকে প্রয়োজনীয় তথ্য আদানপ্রদান এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া, মাদক অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী সংস্থা এবং পাচারের নতুন পদ্ধতি ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে দুই দেশ।

চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ

তথ্য আদানপ্রদান: মাদক পাচারকারী ব্যক্তি, অপরাধী সংগঠন এবং মাদক লুকানোর নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময় করা হবে।

যৌথ কার্যক্রম: মাদক পাচাররোধে উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা এবংকন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশনএর মতো সমন্বিত অভিযান চালাবে।

প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি: মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনপ্রশিক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।

প্রযুক্তিগত সহায়তা: লুকানো মাদক শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং স্নিফার ডগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে।

ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ: নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

গোপনীয়তা রক্ষা: আদানপ্রদানকৃত সকল তথ্য ও নথিপত্রের কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষকে তা জানানো হবে না।

এই চুক্তি কার্যকর থাকবে ১০ বছর পর্যন্ত। তবে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরবর্তীতে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে। 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কোটালীপাড়ার সেতুতে ফুটবল দেশের পতাকার বদলে কালেমা খচিত পতাকা, সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার ঝড়

মাদক পাচাররোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

আপডেট সময় ০৫:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

এবার মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।  শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় দেশ মাদক পাচার এবং মাদক সংক্রান্ত অর্থপাচাররোধে একে অপরকে প্রয়োজনীয় তথ্য আদানপ্রদান এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া, মাদক অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী সংস্থা এবং পাচারের নতুন পদ্ধতি ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে দুই দেশ।

চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ

তথ্য আদানপ্রদান: মাদক পাচারকারী ব্যক্তি, অপরাধী সংগঠন এবং মাদক লুকানোর নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময় করা হবে।

যৌথ কার্যক্রম: মাদক পাচাররোধে উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা এবংকন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশনএর মতো সমন্বিত অভিযান চালাবে।

প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি: মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনপ্রশিক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।

প্রযুক্তিগত সহায়তা: লুকানো মাদক শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং স্নিফার ডগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে।

ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ: নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

গোপনীয়তা রক্ষা: আদানপ্রদানকৃত সকল তথ্য ও নথিপত্রের কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষকে তা জানানো হবে না।

এই চুক্তি কার্যকর থাকবে ১০ বছর পর্যন্ত। তবে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরবর্তীতে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে।