গাজীপুরের শ্রীপুরে ‘অস্ত্র উদ্ধার’ করতে গিয়ে জনতার রোষানলে পড়ে র্যাবের একটি দল। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টার পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বরমী-শ্রীপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি দোকানে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। রাত ৮টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা যায়, স্থানীয় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় র্যাবের একটি দল একটি অটোরিকশা ব্যবসায়ীর দোকানে অস্ত্র রেখে উদ্ধার অভিযান চালায়। অভিযানের সময় দোকানমালিক মোশারফ (৩৫)কে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। এরপর সড়কে ব্যারিকেড দেয়া হয় এবং র্যাবের গাড়িসহ একটি মাইক্রোবাস আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। একই সময় মোশারফকেও র্যাবের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় জনতা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, র্যাব পরিকল্পিতভাবে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম লিটনের প্রভাব নিয়ে মোশারফের দোকানে অস্ত্র রেখে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে।
খবর পেয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আব্দুল বারিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে র্যাব ও পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা আরও জানান, বরমী গ্রামের মোশারফের সঙ্গে একই এলাকার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম লিটনের বিরোধ রয়েছে। গত শুক্রবার রাতে লিটন ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এর পর ক্ষিপ্ত হয়ে জনতা লিটনের বাড়ি অবরোধ করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনার পর লিটন এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার সন্ধ্যায় লিটনের গ্রেপ্তারের দাবিতে থানায় অবস্থান নেয় স্থানীয়রা। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আব্দুল বারিকের আশ্বাসে তারা বাড়ি ফিরে যান।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















