খুলনা: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের চলমান আন্দোলন এবং দশম গ্রেডের দাবিকে তিনি যৌক্তিক মনে করছেন না। তিনি বলেন, “সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান অবস্থান ১৩তম গ্রেড। প্রধান শিক্ষকদের আমরা সম্প্রতি দশম গ্রেডে উন্নীত করেছি। তাহলে সহকারী শিক্ষকদের হঠাৎ ১৩তম গ্রেড থেকে দশম গ্রেডে উন্নীত করা যুক্তিসংগত কি না, সেটা স্বাভাবিকভাবে বিবেচনা করা উচিত।”
শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ক্ষতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “অবশ্যই শিক্ষকেরা আন্দোলন করতে পারেন, কিন্তু আমাদের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান বজায় রাখা। যদি অযৌক্তিক দাবি দিয়ে কেউ পড়াশোনাকে বিঘ্নিত করে, আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেব।”
তিনি আরও জানান, সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবি—দশম গ্রেড, ১০ ও ১৬ বছরে সিলেকশন গ্রেড, এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি—এর মধ্যে শুধুমাত্র সিলেকশন গ্রেডের বিষয়ে সরকার নীতি অনুযায়ী পদক্ষেপ করেছে। দশম গ্রেডের দাবিকে তিনি অযৌক্তিক আখ্যায়িত করেন।
উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, “সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড পাওয়ার জন্য আমরা অর্থ মন্ত্রণালয় ও বেতন কমিশনে আবেদন করেছি এবং অন্যান্য নীতিনির্ধারকের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছি। তবে বর্তমান সময়ে দশম গ্রেডের দাবিতে আন্দোলন করা যৌক্তিক নয়।”
সভায় খুলনা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ, জেলা প্রশাসক, বিভাগের সচিবসহ বিভিন্ন শিক্ষা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























