ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নির্বাচনে টাকা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক, প্রমাণ করতে পারলে তাকে মেডেল দেব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে জামায়াত আমির ৭  মাসে দেশ কেঁপেছে ৩০ বার: ঢাকার ৬ লাখ ভবনের ৪০ শতাংশ ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যের ২১টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলা  যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান আজ নাসির-তামিমার বিয়ে মামলার রায়, দোষ প্রমাণ হলে হতে পারে ৭ বছরের কারাদণ্ড রামিসার পাশের বাসা থেকে পাঁচ বছরের শিশু নিখোঁজ, চার দিনেও মেলেনি খোঁজ জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, সাইরেন বাজছে কুয়েতেও বাংলাদেশে সাড়ে ৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় নাগরিক, চাকরী করছেন বিভিন্ন সেক্টরে বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর ঘাঁটিতে ইরানের হামলা বাঁচতে চাইলে মার্কিন বাহিনীকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার হুঁশিয়ারি আরাঘচির

বঙ্গোপসাগরে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ভারত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

এবার বঙ্গোপসাগরে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালিয়েছে ভারত। ওডিশা উপকূলে দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এই পরীক্ষা চালায়। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো না হলেও এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ বাংলাদেশের কক্সবাজারসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দেখা গেছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনার সৃষ্টি হয়। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার। 

গতকাল শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার আকাশে একটিরহস্যজনক আলোউল্কার মতো ছুটতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেকেই দাবি করেন এটি কোনো ভিনগ্রহের যান বা উল্কা। তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারতের পরীক্ষা করা আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতের পক্ষ থেকে এই পরীক্ষার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া না হলেও বঙ্গোপসাগরে আগে থেকেইনোটাম’ (নোটিশ টু এয়ারম্যান) জারি করা হয়েছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য ৬ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের নির্দিষ্ট আকাশসীমায় বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল ভারত। আকাশে দেখা যাওয়া এই শক্তিশালী মিসাইলটি ভারতের বহুল আলোচিতঅগ্নিকি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। তবে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন বলছে, এটি খুব সম্ভবতঅগ্নিনয়, তবে এটি অবশ্যই একটি শক্তিশালী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সম্প্রতি এক প্রতিরক্ষা সম্মেলনে ডিআরডিও চেয়ারম্যান সমীর ভি কামাত জানিয়েছিলেন, সরকারের অনুমতি পেলেই তারাঅগ্নিএর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে প্রস্তুত।

বর্তমানে কেবল যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে ১২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার আইসিবিএম প্রযুক্তি রয়েছে। রাশিয়ারআরএস২৮ সারমাটএবং চীনেরডিএফ৪১ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১২ থেকে ১৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত। এছাড়া ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কাছেও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি রয়েছে। ভারত যদি আন্তঃমহাদেশীয় এই প্রযুক্তিতে পুরোপুরি সাফল্য পায়, তবে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত এই ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে। এর ফলে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা মানচিত্রে ভারতের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে টাকা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক, প্রমাণ করতে পারলে তাকে মেডেল দেব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে জামায়াত আমির

বঙ্গোপসাগরে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল ভারত

আপডেট সময় ১০:৩৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

এবার বঙ্গোপসাগরে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালিয়েছে ভারত। ওডিশা উপকূলে দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এই পরীক্ষা চালায়। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো না হলেও এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ বাংলাদেশের কক্সবাজারসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দেখা গেছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও জল্পনার সৃষ্টি হয়। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার। 

গতকাল শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার আকাশে একটিরহস্যজনক আলোউল্কার মতো ছুটতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেকেই দাবি করেন এটি কোনো ভিনগ্রহের যান বা উল্কা। তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারতের পরীক্ষা করা আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতের পক্ষ থেকে এই পরীক্ষার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া না হলেও বঙ্গোপসাগরে আগে থেকেইনোটাম’ (নোটিশ টু এয়ারম্যান) জারি করা হয়েছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য ৬ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের নির্দিষ্ট আকাশসীমায় বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল ভারত। আকাশে দেখা যাওয়া এই শক্তিশালী মিসাইলটি ভারতের বহুল আলোচিতঅগ্নিকি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। তবে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন বলছে, এটি খুব সম্ভবতঅগ্নিনয়, তবে এটি অবশ্যই একটি শক্তিশালী আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। সম্প্রতি এক প্রতিরক্ষা সম্মেলনে ডিআরডিও চেয়ারম্যান সমীর ভি কামাত জানিয়েছিলেন, সরকারের অনুমতি পেলেই তারাঅগ্নিএর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণে প্রস্তুত।

বর্তমানে কেবল যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে ১২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার আইসিবিএম প্রযুক্তি রয়েছে। রাশিয়ারআরএস২৮ সারমাটএবং চীনেরডিএফ৪১ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১২ থেকে ১৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত। এছাড়া ফ্রান্স ও ব্রিটেনের কাছেও সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি রয়েছে। ভারত যদি আন্তঃমহাদেশীয় এই প্রযুক্তিতে পুরোপুরি সাফল্য পায়, তবে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত এই ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে। এর ফলে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা মানচিত্রে ভারতের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।