ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যশোরে রক্তাক্ত ৪৮ ঘণ্টা, মা-সন্তানসহ ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার ছুরিকাঘাতে নিহত গ্র্যামিজয়ী গীতিকার তালে রাইলি মহররমের ১০ দিন পর হবে খামেনির জানাজা-দাফন, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান লাল টেলিফোনের তার চুরির পর এবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ল্যাপটপ চুরি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামী ব্যাংকের গোড়াপত্তন করেছিলেন কাপ্তাই হ্রদে গোসল করতে নেমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ পোস্ট, যুবক কারাগারে ফিলিপাইনে ভূমিকম্পের পর শতাধিক আফটারশক! ‘জাতীয় পার্টি না থাকলে নির্বাচন হতো না, তারেক জিয়াও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না’ ছাত্রদল-যুবদলের দুই নেতা নিহত

জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

এবার বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ভারতীয় আম নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা ও গুণগত মানের প্রশ্নে ভারত থেকে আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নেপাল। এর আগে জাপানও কয়েকটি জনপ্রিয় ভারতীয় আমের জাত আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় আমের কিছু চালানে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপালের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল ও মে মাসে সীমান্তবর্তী কোয়ারেন্টাইন চেকপয়েন্টগুলোতে পরীক্ষা চালিয়ে ভারত থেকে আসা কয়েকটি আমের চালানে অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশকের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। এরপর থেকেই সীমান্ত কর্তৃপক্ষকে ভারতীয় আমের প্রবেশ ঠেকাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেপালের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। খাদ্যের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

গ্রীষ্ম মৌসুমে নেপালে আমের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। দেশটিতে স্থানীয়ভাবে কিছু আম উৎপাদিত হলেও তা চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই নেপালের বাজার ভারতীয় আমের ওপর নির্ভরশীল। গুণগত মান ও স্বাস্থ্যগত উদ্বেগের কারণে ভারতীয় কৃষিপণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী দেশের তালিকায় নেপাল নতুন করে যুক্ত হলো। এর আগে জাপানও সম্প্রতি ভারতের কয়েকটি জনপ্রিয় আমের জাতের ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা বা কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আলফানসো, কেশর, ল্যাংড়া এবং বঙ্গনপল্লী জাতের আম।

বিশ্ববাজারে ভারতীয় আমের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি এখন রপ্তানিকারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে রক্তাক্ত ৪৮ ঘণ্টা, মা-সন্তানসহ ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

আপডেট সময় ০৫:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

এবার বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ভারতীয় আম নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা ও গুণগত মানের প্রশ্নে ভারত থেকে আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নেপাল। এর আগে জাপানও কয়েকটি জনপ্রিয় ভারতীয় আমের জাত আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় আমের কিছু চালানে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপালের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল ও মে মাসে সীমান্তবর্তী কোয়ারেন্টাইন চেকপয়েন্টগুলোতে পরীক্ষা চালিয়ে ভারত থেকে আসা কয়েকটি আমের চালানে অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশকের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। এরপর থেকেই সীমান্ত কর্তৃপক্ষকে ভারতীয় আমের প্রবেশ ঠেকাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেপালের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। খাদ্যের গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

গ্রীষ্ম মৌসুমে নেপালে আমের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। দেশটিতে স্থানীয়ভাবে কিছু আম উৎপাদিত হলেও তা চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই নেপালের বাজার ভারতীয় আমের ওপর নির্ভরশীল। গুণগত মান ও স্বাস্থ্যগত উদ্বেগের কারণে ভারতীয় কৃষিপণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী দেশের তালিকায় নেপাল নতুন করে যুক্ত হলো। এর আগে জাপানও সম্প্রতি ভারতের কয়েকটি জনপ্রিয় আমের জাতের ওপর আমদানি নিষেধাজ্ঞা বা কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আলফানসো, কেশর, ল্যাংড়া এবং বঙ্গনপল্লী জাতের আম।

বিশ্ববাজারে ভারতীয় আমের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি এখন রপ্তানিকারকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।