ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে: হাইকোর্ট পাকা ঘর নির্মাণ করা হলো না, দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় পিয়াস সৌদি থেকে ফিরেই ঠাকুরগাঁও যাবেন হিরো আলম, শুরু করবেন নির্বাচনী প্রস্তুতি  মায়ের মৃত্যুতে ৫ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিল না করলে সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ-বিক্ষোভ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পথ নেই: ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

এবার গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দ্বিতীয় কোনো পথ নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আমির আকরামিনিয়া।  তিনি বলেছেন, ইরান হরমুজে নতুন যে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে এটি অপরিবর্তনযোগ্য। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এটি পরিবর্তন করতে চায়। কিন্তু এতে কাজ হবে না। তিনি সতর্কতা দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কিছু করার চেষ্টা করে তাহলে বর্তমানে যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে সেটি আরও বাড়বে।

হুমকির সুরে এ সেনা কর্মকর্তা বলেছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামনে আর কোনো উপায় নেই; অন্যথায় অতীতে তারা যে ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিল, এবার মূল্য চুকাতে হবে তার চেয়েও অনেক বেশি।বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্বাসনালী খ্যাত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির দ্বারপ্রান্তে রয়েছে ইরান। তবে কেবল এই চুক্তিই জলপথটি পুরোপুরি উন্মুক্ত করার জন্য যথেষ্ট নয় বলে শনিবার জানিয়ে দিয়েছে তেহরান। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ করে বলেছে, প্রণালিতে ইরানের সামরিক বাহিনী আবুধাবির আরও একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।

প্রণালির দুই পাশে অবস্থিত ইরান ও ওমানের মধ্যে শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে বলে শুক্রবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে স্বাভাবিক তেল পরিবহন আবার শুরু করা সম্ভব হতে পারে বলে প্রত্যাশা করেছেন তিনি। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাত অবসানের অংশ হিসেবে কৌশলগত এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার চুক্তিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনো পথ নেই: ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র

আপডেট সময় ১০:১১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

এবার গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দ্বিতীয় কোনো পথ নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আমির আকরামিনিয়া।  তিনি বলেছেন, ইরান হরমুজে নতুন যে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে এটি অপরিবর্তনযোগ্য। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এটি পরিবর্তন করতে চায়। কিন্তু এতে কাজ হবে না। তিনি সতর্কতা দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কিছু করার চেষ্টা করে তাহলে বর্তমানে যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে সেটি আরও বাড়বে।

হুমকির সুরে এ সেনা কর্মকর্তা বলেছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামনে আর কোনো উপায় নেই; অন্যথায় অতীতে তারা যে ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিল, এবার মূল্য চুকাতে হবে তার চেয়েও অনেক বেশি।বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্বাসনালী খ্যাত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির দ্বারপ্রান্তে রয়েছে ইরান। তবে কেবল এই চুক্তিই জলপথটি পুরোপুরি উন্মুক্ত করার জন্য যথেষ্ট নয় বলে শনিবার জানিয়ে দিয়েছে তেহরান। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ করে বলেছে, প্রণালিতে ইরানের সামরিক বাহিনী আবুধাবির আরও একটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।

প্রণালির দুই পাশে অবস্থিত ইরান ও ওমানের মধ্যে শিগগিরই একটি চুক্তি হতে পারে বলে শুক্রবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে স্বাভাবিক তেল পরিবহন আবার শুরু করা সম্ভব হতে পারে বলে প্রত্যাশা করেছেন তিনি। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাত অবসানের অংশ হিসেবে কৌশলগত এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যকার চুক্তিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা