ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আজ বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে বসবেন ক্রীড়া উপদেষ্টা পাকিস্তানে মিলল তেল-গ্যাসের বিপুল মজুত বিড়ি খাওয়ার বক্তব্য দেওয়ায় জামায়াতের ২ কোটির মার্কেটিং হয়েছে: ড. ফয়জুল হক বিএনপিতে যোগ দিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবু সাইয়িদ ঢাকায় ফ্ল্যাটসহ নগদ কোটি টাকা পাচ্ছে শহীদ ওসমান হাদির পরিবার বিএনপি নেতাকর্মীরা ভোটারদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে: সারজিস জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর বেদনাদায়কভাবে হামলা চালিয়েছে বিএনপির লোকেরা: শফিকুর রহমান সব সাইজ হয়ে যাবে, ঢাকায় কোনো সিট দেব না: জামায়াত প্রার্থীর হুঙ্কার হুমকি-ধামকিতে মাথা নত করবে না ইউরোপ: ট্রাম্পের হুমকির জবাবে মাক্রোঁ পাকিস্তানের অবস্থানের পর নড়েচড়ে বসছে আইসিসি, বৈঠকে বাংলাদেশ ইস্যু

দেশে দুর্নীতি দমন ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় বিএনপির ট্র্যাক রেকর্ড আছে: তারেক রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

 

বিএনপি সরকার দেশে প্রতিবার দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব সাহায্য এসেছে, তা দুর্নীতির কারণে সঠিকভাবে কাজে লাগেনি। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান দেশকে সেই পরিস্থিতি থেকে বের করে শুধু খাদ্য উৎপাদন বাড়াননি, অল্প পরিমাণে হলেও খাদ্য রফতানি নিশ্চিত করেছিলেন।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ কর্মসূচীর তৃতীয় দিনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলের তিন বছরের দুর্নীতির কারণে ২০০১ সালে বাংলাদেশ দুর্নীতির শীর্ষে পৌঁছেছিল। তবে ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে বিএনপি সরকার দেশকে ধীরে ধীরে দুর্নীতির তকমা থেকে মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল। এটি বিএনপির বক্তব্য নয়, একটি স্বাধীন সংস্থার জরিপের ফল।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের ট্র্যাক রেকর্ড বিএনপির রয়েছে। সরকার দুর্নীতি তদন্ত করতে অনুমতি প্রয়োজন, এমন নিয়ম আওয়ামী লীগ চালু করেছিল। খালেদা জিয়ার সরকার আবারও অনুমতি ছাড়াই দুর্নীতি তদন্ত করতে সক্ষম হয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে দেশে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে কোনো নেতা-কর্মী অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী বিচার হবে, কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না।

তালপট্টির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে বিএনপি অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছিল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পানির হিস্যা বোঝানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও বিএনপি বাস্তবায়ন করেছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিএনপির কাছে নিরাপদ।

কৃষকদের ভবিষ্যৎ ভাবনার কথাও উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশের ৪ কোটি পরিবারের মধ্যে সবচেয়ে বঞ্চিত পরিবারের মা-বোনরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এরপর অন্যান্য পরিবারের নারীরাও সুবিধা পাবেন।

তিনি আরও বলেন, স্কুল-কলেজ, রেলস্টেশন, এয়ারপোর্টসহ বিভিন্ন এলাকায় ফ্রি ইন্টারনেট সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা কাজ করতে পারে। জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে ভাষা শিক্ষা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট চালু হবে, শিক্ষা কারিকুলামে অতিরিক্ত ভাষা শেখার সুযোগ দেওয়া হবে।

নারী শিক্ষার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশের অর্ধেক জনগণ নারী। ক্ষমতায় এলে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী মা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘দুর্নীতিতে বিএনপি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন’—আওয়ামী লীগের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে একটি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে বসবেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

দেশে দুর্নীতি দমন ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় বিএনপির ট্র্যাক রেকর্ড আছে: তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বিএনপি সরকার দেশে প্রতিবার দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব সাহায্য এসেছে, তা দুর্নীতির কারণে সঠিকভাবে কাজে লাগেনি। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান দেশকে সেই পরিস্থিতি থেকে বের করে শুধু খাদ্য উৎপাদন বাড়াননি, অল্প পরিমাণে হলেও খাদ্য রফতানি নিশ্চিত করেছিলেন।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ কর্মসূচীর তৃতীয় দিনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলের তিন বছরের দুর্নীতির কারণে ২০০১ সালে বাংলাদেশ দুর্নীতির শীর্ষে পৌঁছেছিল। তবে ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে বিএনপি সরকার দেশকে ধীরে ধীরে দুর্নীতির তকমা থেকে মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল। এটি বিএনপির বক্তব্য নয়, একটি স্বাধীন সংস্থার জরিপের ফল।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের ট্র্যাক রেকর্ড বিএনপির রয়েছে। সরকার দুর্নীতি তদন্ত করতে অনুমতি প্রয়োজন, এমন নিয়ম আওয়ামী লীগ চালু করেছিল। খালেদা জিয়ার সরকার আবারও অনুমতি ছাড়াই দুর্নীতি তদন্ত করতে সক্ষম হয়েছিল।

আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে দেশে আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে কোনো নেতা-কর্মী অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী বিচার হবে, কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না।

তালপট্টির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে বিএনপি অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছিল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পানির হিস্যা বোঝানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও বিএনপি বাস্তবায়ন করেছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিএনপির কাছে নিরাপদ।

কৃষকদের ভবিষ্যৎ ভাবনার কথাও উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশের ৪ কোটি পরিবারের মধ্যে সবচেয়ে বঞ্চিত পরিবারের মা-বোনরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এরপর অন্যান্য পরিবারের নারীরাও সুবিধা পাবেন।

তিনি আরও বলেন, স্কুল-কলেজ, রেলস্টেশন, এয়ারপোর্টসহ বিভিন্ন এলাকায় ফ্রি ইন্টারনেট সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা কাজ করতে পারে। জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে ভাষা শিক্ষা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট চালু হবে, শিক্ষা কারিকুলামে অতিরিক্ত ভাষা শেখার সুযোগ দেওয়া হবে।

নারী শিক্ষার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশের অর্ধেক জনগণ নারী। ক্ষমতায় এলে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী মা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘দুর্নীতিতে বিএনপি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন’—আওয়ামী লীগের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে একটি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।