ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকার দুই মাসের মধ্যে জনগণকে রাজপথে আসতে বাধ্য করছে: এটিএম আজহার বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি: অর্থমন্ত্রী জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে ইরানের উচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণ করা: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানি জাহাজে চীনা মিসাইলের কেমিক্যাল, তবে কি ইরানকে টিকিয়ে রাখার নেপথ্যে বেইজিং? এক পরিবারে দুই এমপির নীতি না থাকায় আমিরের স্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি: হামিদুর রহমান আযাদ দৃষ্টি নেই, তবুও স্বপ্ন অটুট শরীফের ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্টতম সেনাবাহিনী: জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও পর্যবেক্ষণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী যুদ্ধে নিজেদের সাফল্য তুলে না ধরায় মার্কিন গণমাধ্যমের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

মাদারগঞ্জে তিন স্কুলে সবাই ফেল, আরও কয়েকটিতে পাস একজন করে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • ৩৪৫ বার পড়া হয়েছে

এম আর সাইফুল, জামালপুর প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এছাড়া আরও কয়েকটি স্কুলে মাত্র একজন বা দুই-তিনজন শিক্ষার্থী পাস করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে এসব তথ্য উঠে আসে।

উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৩.৭৩ শতাংশ। তবে এর বিপরীতে রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা এবং কে.পি.এইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে অংশ নেওয়া মোট ৮ শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হয়নি।

এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয়, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয়, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল এবং নব্যচর কারিগরী কলেজ—এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী পাস করেছে। আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানে দুই বা তিনজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

শিক্ষা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জোবায়দুল ইসলাম বলেন, “তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করা এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে উত্তীর্ণ হওয়া আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি অশনি সংকেত। এর পেছনে রয়েছে শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বহীনতা, অব্যবস্থাপনা এবং সঠিক মনিটরিংয়ের অভাব।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম জানান, “এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ হাজার ৪৪৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৪৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ১২৭ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। তবে ২ হাজার ১০১ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, যা নিয়ে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে।”

অভিভাবকরা এসব ফলাফলের জন্য দায়ী করছেন শিক্ষকদের অনীহা, সুষ্ঠু পাঠদানের অভাব এবং স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের তদারকির ঘাটতিকে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

মাদারগঞ্জে তিন স্কুলে সবাই ফেল, আরও কয়েকটিতে পাস একজন করে

আপডেট সময় ১১:২৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

এম আর সাইফুল, জামালপুর প্রতিনিধিঃ

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এছাড়া আরও কয়েকটি স্কুলে মাত্র একজন বা দুই-তিনজন শিক্ষার্থী পাস করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে এসব তথ্য উঠে আসে।

উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৩.৭৩ শতাংশ। তবে এর বিপরীতে রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা এবং কে.পি.এইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে অংশ নেওয়া মোট ৮ শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হয়নি।

এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয়, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয়, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল এবং নব্যচর কারিগরী কলেজ—এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী পাস করেছে। আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানে দুই বা তিনজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

শিক্ষা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জোবায়দুল ইসলাম বলেন, “তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করা এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে উত্তীর্ণ হওয়া আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি অশনি সংকেত। এর পেছনে রয়েছে শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বহীনতা, অব্যবস্থাপনা এবং সঠিক মনিটরিংয়ের অভাব।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম জানান, “এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ হাজার ৪৪৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৪৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ১২৭ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। তবে ২ হাজার ১০১ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, যা নিয়ে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে।”

অভিভাবকরা এসব ফলাফলের জন্য দায়ী করছেন শিক্ষকদের অনীহা, সুষ্ঠু পাঠদানের অভাব এবং স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের তদারকির ঘাটতিকে।