এবার অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় ওই ব্যক্তি তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে সঙ্গে থাকা আরও দুই ব্যক্তির উসকানিতে অভিযুক্ত মজিবর রহমান তার ডান গালে সজোরে থাপ্পড় মারেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় থানার ডিউটি অফিসারের কক্ষে থাকা এসআই মো. মানিক রানা, এসআই মো. মমিনুর রহমান ও কনস্টেবল মো. রফিকুল ইসলামসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
তারা নওয়াবুর রহমানের পরিচয় জানালে অভিযুক্তরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ও পুলিশ পরিবারকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল ও মানহানিকর কথাবার্তা বলেন এবং হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অভিযুক্ত মজিবর রহমানকে থানা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের নাম–ঠিকানা প্রকাশ করেন। তবে তার সঙ্গে থাকা অপর দুই ব্যক্তি কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিআইডি কর্মকর্তা নওয়াবুর রহমান জানান, ঘটনার পর তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। চিকিৎসা গ্রহণ এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার সঙ্গে চিকিৎসাপত্রের মূল কপি এবং ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সম্বলিত একটি পেনড্রাইভ সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরনবী জানান, থানায় দায়িত্ব পালনকালে সিআইডির এক পুলিশ পরিদর্শকের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই পুলিশ পরিদর্শক বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে রাতেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























