ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে: হাইকোর্ট পাকা ঘর নির্মাণ করা হলো না, দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় পিয়াস সৌদি থেকে ফিরেই ঠাকুরগাঁও যাবেন হিরো আলম, শুরু করবেন নির্বাচনী প্রস্তুতি  মায়ের মৃত্যুতে ৫ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিল না করলে সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ-বিক্ষোভ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

পরমাণু চুক্তি ছাড়াই হরমুজ খোলার বিনিময়ে যুদ্ধ থামাতে পারেন ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

এবার তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেয়, তবে ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পরমাণু চুক্তির দাবি ছেড়ে দিতে সম্মত হতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১০ আগস্ট) দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের বরাতে এনডিটিভি এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্প গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই সিদ্ধান্তের জন্য ভূমিকা তৈরি করেছেন এবং নিজের জ্যেষ্ঠ সহযোগীদের কাছে গোপনে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো পরমাণু চুক্তি ছাড়াই তিনি এই সামরিক অভিযান শেষ করতে পারেন। বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে সংঘাত থামানোর ভিত্তি হতে পারে এই জলপথ দিয়ে পুনরায় জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ উন্মুক্ত করার বিনিময়ে একাধিক শর্ত দিয়েছে ইরান। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে কোটি কোটি ডলার অর্থ প্রদান, মার্কিন নৌ অবরোধের সমাপ্তি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, সকল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং অবরুদ্ধ ইরানি সম্পদ মুক্ত করা।

 তেহরানের এই দীর্ঘ শর্ত তালিকা ওয়াশিংটনের জন্য কূটনৈতিক পথ সংকুচিত করে দিয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ইঙ্গিত দেয়। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান ও ওমানের মধ্যকার এই সংকীর্ণ প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় তেহরান। তারা মার্কিন ও মিত্র নৌযান চলাচলে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলো থেকে টোল নেওয়ার চেষ্টা করছে, যা যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

সামনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন থাকায় দেশে পেট্রোলের উচ্চমূল্য কমানো এবং ভোটারদের কাছে সামরিক অভিযানের সফলতা দেখানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্প চাপের মুখে রয়েছেন। যদিও ট্রাম্প জলপথটি খুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন, তবে তা অকালপক্ক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

পরমাণু চুক্তি ছাড়াই হরমুজ খোলার বিনিময়ে যুদ্ধ থামাতে পারেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ১০:৪১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

এবার তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দেয়, তবে ইরানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পরমাণু চুক্তির দাবি ছেড়ে দিতে সম্মত হতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১০ আগস্ট) দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের বরাতে এনডিটিভি এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, ট্রাম্প গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই সিদ্ধান্তের জন্য ভূমিকা তৈরি করেছেন এবং নিজের জ্যেষ্ঠ সহযোগীদের কাছে গোপনে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো পরমাণু চুক্তি ছাড়াই তিনি এই সামরিক অভিযান শেষ করতে পারেন। বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে সংঘাত থামানোর ভিত্তি হতে পারে এই জলপথ দিয়ে পুনরায় জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ উন্মুক্ত করার বিনিময়ে একাধিক শর্ত দিয়েছে ইরান। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে কোটি কোটি ডলার অর্থ প্রদান, মার্কিন নৌ অবরোধের সমাপ্তি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, সকল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং অবরুদ্ধ ইরানি সম্পদ মুক্ত করা।

 তেহরানের এই দীর্ঘ শর্ত তালিকা ওয়াশিংটনের জন্য কূটনৈতিক পথ সংকুচিত করে দিয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ইঙ্গিত দেয়। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান ও ওমানের মধ্যকার এই সংকীর্ণ প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় তেহরান। তারা মার্কিন ও মিত্র নৌযান চলাচলে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলো থেকে টোল নেওয়ার চেষ্টা করছে, যা যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

সামনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন থাকায় দেশে পেট্রোলের উচ্চমূল্য কমানো এবং ভোটারদের কাছে সামরিক অভিযানের সফলতা দেখানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্প চাপের মুখে রয়েছেন। যদিও ট্রাম্প জলপথটি খুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন, তবে তা অকালপক্ক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি