ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মুক্তি পাওয়া ৪ আওয়ামী নেতাকে বরণ করতে গিয়ে কারাফটকে আটক আরও ৪ কর্মী এসএসসির ফল জানার আগেই বিদায় নিল কাজী রেজা সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ভারতের হাইকমিশনার রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর শোক আমি আর কথা কমু না নে মা, আগুন লেগে পুড়ে যাচ্ছি মা, মরে যাচ্ছি: সৌদিতে ২ সন্তান হারিয়ে দিশেহারা পরিবার মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি ছাড়াই যুদ্ধ শেষ করে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করতে চান ট্রাম্প ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল, মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সীমান্তে আটক ভারতীয় নাগরিককে পুলিশের নিকট হস্তান্তর

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি ছাড়াই যুদ্ধ শেষ করে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করতে চান ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করে বিজয় ঘোষণা করার কথা ভাবছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর জন্য ইরানের সঙ্গে নতুন কোনও পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছানো জরুরি নয় বলেই মনে করছেন তিনি। রোববার (৯ আগস্ট) মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হলে যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়াতে পারেন ট্রাম্প। তবে হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ছয়টি শর্ত দিয়েছে ইরান। ফলে যুদ্ধের অবসান নিয়ে দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে এখনও বড় ধরনের দূরত্ব রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে তার শীর্ষ সহযোগীদের কাছে এ সম্ভাবনার কথা তুলেছেন। মার্কিন কর্মকর্তারা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হলে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতিঅনির্দিষ্টকালের জন্যবাড়াতে আরও আগ্রহী হবেন।

ওই কর্মকর্তারা আরও জানান, গত কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্প তার শীর্ষ সহযোগীদের ব্যক্তিগত আলোচনায় বলেছেন, তেহরানের পক্ষে পরমাণু কর্মসূচি আবার চালু করা সম্ভবত কঠিন। ২০২৫ সালের জুনে চালানোঅপারেশন মিডনাইট হ্যামারইরানের পরমাণু অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষতি করেছিল বলে মনে করেন তিনি। ট্রাম্প সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে আরও বলেছেন, ইরান এসব স্থাপনা পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করলে কিংবা গোপনে পরমাণু বোমা তৈরির উদ্যোগ নিলে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সক্ষমতা তা শনাক্ত করতে পারবে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প মনে করেন, ইরান আবার পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ফের হামলার হুমকি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করবে। মার্কিন কর্মকর্তারা আরও ধারণা করছেন, তেহরান হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিলে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধও তুলে নেবেন ট্রাম্প।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ট্রাম্প ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলাতে চাইছেন এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অচলাবস্থাও কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে জ্বালানির দাম বর্তমান পর্যায়ে থাকলে তিনি এ অবস্থান ধরে রাখতে পারেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তার সব সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে। এখন প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা। তবে ইরান জাহাজে আরও হামলা চালালে সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প খোলা রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর গত শুক্রবার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তারআচরণ সংশোধননা করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি তার এ বক্তব্য প্রকাশ করেছে।

জোলঘাদর হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানের পক্ষ থেকে ছয়টি শর্তের কথা জানিয়েছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান, লেবানন, ইয়েমেন, ইরাক ও ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে সব ধরনের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। ইরানকে মৌখিকভাবে হুমকি দেয়া বন্ধ করতে হবে। নৌ অবরোধ তুলে নেয়াসহ সব ধরনের অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। ইরানের বিরুদ্ধে চালানো যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ইরানের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে এবং ইরানের জব্দ করা সব সম্পদ ছেড়ে দিতে হবে। এদিকে গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে একটি নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান নিয়ে আশাবাদী মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি খুব শিগগিরই শেষ হবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না, তারা (ইরান) আর বেশি সময় চালিয়ে যেতে পারবে।

হরমুজ প্রণালি এবং এটি খুলতে সম্ভাব্য কোনও চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, প্রণালিটিকিছুটা এখনই খোলারয়েছে। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমাদের একটি অবরোধ ব্যবস্থা আছে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে মার্কিন নৌবাহিনী এবং এটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে। তবে তারা যেকোনও সময় কিছুতে হামলা চালাতে পারে।ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক কর্মসূচির পরিচালক মোনা ইয়াকুবিয়ান বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানের সাম্প্রতিক কঠোর শর্তগুলো ট্রাম্পের জন্য সংঘাত থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি করা আরও কঠিন করে তুলছে। ইউরেশিয়া গ্রুপের ইরানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ গ্রেগরি ব্রু বলেন, ‘ইরানিরা পুরোপুরি বিশ্বাস করে যে ট্রাম্প (ইরান যুদ্ধ থেকে) বেরিয়ে আসতে চান এবং তার মূল লক্ষ্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া। এ কারণেই তারা কঠোর অবস্থান নিচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তি পাওয়া ৪ আওয়ামী নেতাকে বরণ করতে গিয়ে কারাফটকে আটক আরও ৪ কর্মী

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি ছাড়াই যুদ্ধ শেষ করে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করতে চান ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:৪১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

এবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করে বিজয় ঘোষণা করার কথা ভাবছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর জন্য ইরানের সঙ্গে নতুন কোনও পরমাণু চুক্তিতে পৌঁছানো জরুরি নয় বলেই মনে করছেন তিনি। রোববার (৯ আগস্ট) মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হলে যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়াতে পারেন ট্রাম্প। তবে হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ছয়টি শর্ত দিয়েছে ইরান। ফলে যুদ্ধের অবসান নিয়ে দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে এখনও বড় ধরনের দূরত্ব রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে তার শীর্ষ সহযোগীদের কাছে এ সম্ভাবনার কথা তুলেছেন। মার্কিন কর্মকর্তারা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হলে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতিঅনির্দিষ্টকালের জন্যবাড়াতে আরও আগ্রহী হবেন।

ওই কর্মকর্তারা আরও জানান, গত কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্প তার শীর্ষ সহযোগীদের ব্যক্তিগত আলোচনায় বলেছেন, তেহরানের পক্ষে পরমাণু কর্মসূচি আবার চালু করা সম্ভবত কঠিন। ২০২৫ সালের জুনে চালানোঅপারেশন মিডনাইট হ্যামারইরানের পরমাণু অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষতি করেছিল বলে মনে করেন তিনি। ট্রাম্প সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে আরও বলেছেন, ইরান এসব স্থাপনা পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করলে কিংবা গোপনে পরমাণু বোমা তৈরির উদ্যোগ নিলে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সক্ষমতা তা শনাক্ত করতে পারবে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প মনে করেন, ইরান আবার পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ফের হামলার হুমকি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করবে। মার্কিন কর্মকর্তারা আরও ধারণা করছেন, তেহরান হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিলে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধও তুলে নেবেন ট্রাম্প।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ট্রাম্প ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলাতে চাইছেন এবং সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অচলাবস্থাও কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে জ্বালানির দাম বর্তমান পর্যায়ে থাকলে তিনি এ অবস্থান ধরে রাখতে পারেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তার সব সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে। এখন প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা। তবে ইরান জাহাজে আরও হামলা চালালে সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প খোলা রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর গত শুক্রবার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তারআচরণ সংশোধননা করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলবে না। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি তার এ বক্তব্য প্রকাশ করেছে।

জোলঘাদর হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানের পক্ষ থেকে ছয়টি শর্তের কথা জানিয়েছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান, লেবানন, ইয়েমেন, ইরাক ও ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে সব ধরনের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। ইরানকে মৌখিকভাবে হুমকি দেয়া বন্ধ করতে হবে। নৌ অবরোধ তুলে নেয়াসহ সব ধরনের অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। ইরানের বিরুদ্ধে চালানো যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ইরানের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে এবং ইরানের জব্দ করা সব সম্পদ ছেড়ে দিতে হবে। এদিকে গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে একটি নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান নিয়ে আশাবাদী মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি খুব শিগগিরই শেষ হবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না, তারা (ইরান) আর বেশি সময় চালিয়ে যেতে পারবে।

হরমুজ প্রণালি এবং এটি খুলতে সম্ভাব্য কোনও চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, প্রণালিটিকিছুটা এখনই খোলারয়েছে। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমাদের একটি অবরোধ ব্যবস্থা আছে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে মার্কিন নৌবাহিনী এবং এটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে। তবে তারা যেকোনও সময় কিছুতে হামলা চালাতে পারে।ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক কর্মসূচির পরিচালক মোনা ইয়াকুবিয়ান বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানের সাম্প্রতিক কঠোর শর্তগুলো ট্রাম্পের জন্য সংঘাত থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি করা আরও কঠিন করে তুলছে। ইউরেশিয়া গ্রুপের ইরানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ গ্রেগরি ব্রু বলেন, ‘ইরানিরা পুরোপুরি বিশ্বাস করে যে ট্রাম্প (ইরান যুদ্ধ থেকে) বেরিয়ে আসতে চান এবং তার মূল লক্ষ্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া। এ কারণেই তারা কঠোর অবস্থান নিচ্ছে।