শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের বিজয়ীর নাম আজ বিকেল তিনটায় নরওয়ের অসলোতে ঘোষণা করা হবে। চলতি বছরের শুরু থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে এই পুরস্কারের যোগ্য দাবি করায় আগ্রহ অনেক বেশি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করছেন, ‘প্রভাব খাটিয়ে হলেও এবার ট্রাম্প নোবেল পাবেন’।

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বিজয়ী বাছাইয়ের দায়িত্ব পালন করে। কমিটি গঠন করে নরওয়ের পার্লামেন্ট, সদস্যদের মেয়াদ ৬ বছর। মেয়াদ শেষে তারা পুনঃনির্বাচিত হতে পারেন। কমিটির সদস্যরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থক হলেও তারা বর্তমানে পার্লামেন্টের সদস্য নয়। কমিটির সচিব নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউটের পরিচালক।

বর্তমান কমিটির চেয়ারম্যান হলেন ইউরগেন ভাটনে ফ্রিডনেস (৪১), যিনি নোবেল কমিটির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান। তিনি মানবাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এবং ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সমর্থক। ভাইস চেয়ারম্যান অসলে তুশে (৫১), যিনি রক্ষণশীল ও নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন গবেষণা পরিচালক।

বাকি সদস্যরা হলেন:

  • অ্যান এঙ্গার (৭৫): নার্সিং শিক্ষক থেকে রাজনীতিতে, নরওয়ের সেন্টার পার্টির সমর্থক।
  • ক্রিস্টিন ক্লেমেট (৬৮): কনজারভেটিভ পার্টির রাজনীতিবিদ।
  • গ্রি লারসেন (৪৯): নরওয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন কর্মকর্তা ও কেয়ার নরওয়ের প্রধান, যিনি আগে ট্রাম্প প্রশাসনের বিদেশি সহায়তা ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত সমালোচনা করেছিলেন।

এই পাঁচ সদস্যই শান্তিতে নোবেল বিজয়ী বাছাইয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন এবং মনোনীত ব্যক্তি তাদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারেন না।