ঢাকা , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্ত্রী ‘ফিলিস্তিনের পক্ষে’ কাজ করায় যুক্তরাষ্ট্রে তোপের মুখে মেয়র মামদানি পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না, সাফ জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহস থাকলে ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠিয়ে দেখাক: আইআরজিসি যুদ্ধের ভালো খবর দেখাও, নয়তো লাইসেন্স বাতিল: ট্রাম্প প্রশাসনের হুমকি শক্তিশালী ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করল ইরান ইরান যুদ্ধে সহায়তা না করলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ট্রাম্প দুবাই ও দোহা’র কিছু জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বলল ইরান জাপানের মিতসুইয়ের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্বে স্বপ্ন

ভোটকেন্দ্রে বাদাম-বিস্কুট-কলা খাওয়াসহ ২২ ধরনের কাজ করতে পারবে না পুলিশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যদের ২২ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এসব কাজ থেকে বিরত না থাকলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের একটি গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নির্বাচনকালীন পুলিশের বর্জনীয় কাজগুলো হলো

প্রার্থী অথবা প্রার্থীর এজেন্ট কিংবা সমর্থকের কাছ থেকে খাবার, উপঢৌকন বা অন্য যেকোনো সুবিধা নেওয়া যাবে না। প্রার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলা, আলাপচারিতা বা ঘনিষ্ঠ হওয়া যাবে না। ভোটার বা নির্বাচন কর্মকর্তার কাজে অযথা হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না। ভোটারকে কোনো প্রার্থী বা প্রতীকের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রভাবিত করা যাবে না।

কোনো ধরনের রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সমর্থকদের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করা যাবে না।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে বলপ্রয়োগ বা লাঠিপেটা করা যাবে না। কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর মিছিলে অংশগ্রহণ বা কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা যাবে না।

রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত পছন্দ প্রকাশ বা কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না। গালিগালাজ, হুমকি বা অবমাননাকর কোনো আচরণ করা যাবে না।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, নির্বাচনি আইন ও বিধিমালার পরিপন্থি কোনো নির্দেশনা পালন করা যাবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক পোস্ট বা শেয়ার বা কমেন্ট করা যাবে না। দায়িত্বকালে অপ্রয়োজনে ফোন ব্যবহার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকা যাবে না।

এছাড়া ভোটগ্রহণের দিন ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মোবাইল ফোন ব্যবহার একদমই নিষিদ্ধ থাকবে। নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে অনৈতিক আচরণ বা অসদাচরণ করা যাবে না।

নির্বাচনসংক্রান্ত সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। ভোটের ফলাফল/সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী সম্পর্কে পূর্বানুমানকথোপকথন করা যাবে না।

অফিসিয়াল রিকোয়েস্ট ছাড়া কোনো অবস্থায়ই কোনো স্পর্শকাতর ঘটনার ছবি ও ভিডিও কারও কাছে পাঠানো যাবে না। কোনো ধরনের ব্যক্তিগত আলাপে মশগুল হওয়া যাবে না। একত্রে জড়ো হয়ে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি করা যাবে না।

জনসমাগম স্থল, খোলা জায়গায় যত্রতত্র খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। ফুটপাত কিংবা টং দোকানে বসা যাবে না।

এমনকি বাদাম, ভাপা পিঠা, চানাচুর, জিলাপি, বিস্কুট, কলা ইত্যাদি মুখরোচক খাবার খাওয়া, অশোভন পোশাক পরিধান ও অপেশাদার কাজ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশনায় বলা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রী ‘ফিলিস্তিনের পক্ষে’ কাজ করায় যুক্তরাষ্ট্রে তোপের মুখে মেয়র মামদানি

ভোটকেন্দ্রে বাদাম-বিস্কুট-কলা খাওয়াসহ ২২ ধরনের কাজ করতে পারবে না পুলিশ

আপডেট সময় ১২:১৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যদের ২২ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এসব কাজ থেকে বিরত না থাকলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের একটি গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নির্বাচনকালীন পুলিশের বর্জনীয় কাজগুলো হলো

প্রার্থী অথবা প্রার্থীর এজেন্ট কিংবা সমর্থকের কাছ থেকে খাবার, উপঢৌকন বা অন্য যেকোনো সুবিধা নেওয়া যাবে না। প্রার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলা, আলাপচারিতা বা ঘনিষ্ঠ হওয়া যাবে না। ভোটার বা নির্বাচন কর্মকর্তার কাজে অযথা হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না। ভোটারকে কোনো প্রার্থী বা প্রতীকের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রভাবিত করা যাবে না।

কোনো ধরনের রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সমর্থকদের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করা যাবে না।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে বলপ্রয়োগ বা লাঠিপেটা করা যাবে না। কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর মিছিলে অংশগ্রহণ বা কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা যাবে না।

রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত পছন্দ প্রকাশ বা কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না। গালিগালাজ, হুমকি বা অবমাননাকর কোনো আচরণ করা যাবে না।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, নির্বাচনি আইন ও বিধিমালার পরিপন্থি কোনো নির্দেশনা পালন করা যাবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক পোস্ট বা শেয়ার বা কমেন্ট করা যাবে না। দায়িত্বকালে অপ্রয়োজনে ফোন ব্যবহার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকা যাবে না।

এছাড়া ভোটগ্রহণের দিন ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মোবাইল ফোন ব্যবহার একদমই নিষিদ্ধ থাকবে। নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে অনৈতিক আচরণ বা অসদাচরণ করা যাবে না।

নির্বাচনসংক্রান্ত সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। ভোটের ফলাফল/সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থী সম্পর্কে পূর্বানুমানকথোপকথন করা যাবে না।

অফিসিয়াল রিকোয়েস্ট ছাড়া কোনো অবস্থায়ই কোনো স্পর্শকাতর ঘটনার ছবি ও ভিডিও কারও কাছে পাঠানো যাবে না। কোনো ধরনের ব্যক্তিগত আলাপে মশগুল হওয়া যাবে না। একত্রে জড়ো হয়ে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি করা যাবে না।

জনসমাগম স্থল, খোলা জায়গায় যত্রতত্র খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। ফুটপাত কিংবা টং দোকানে বসা যাবে না।

এমনকি বাদাম, ভাপা পিঠা, চানাচুর, জিলাপি, বিস্কুট, কলা ইত্যাদি মুখরোচক খাবার খাওয়া, অশোভন পোশাক পরিধান ও অপেশাদার কাজ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশনায় বলা হয়েছে।